
|
তুরস্কে দুই বছরের কুরআন শিক্ষায় বৃত্তি পেলেন ৭ বাংলাদেশি নারী
প্রকাশ:
০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৫ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক তুরস্কে দুই বছর মেয়াদি কুরআন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের সাত নারী শিক্ষার্থী। তুরস্কের আজিজ মাহমুদ হুদায়ি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দেওয়া এ বৃত্তির আওতায় তারা ইস্তাম্বুলে থেকে কুরআন ও ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি তুর্কি ভাষা এবং বিভিন্ন ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। বৃত্তি নিয়ে সাত শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে ইস্তাম্বুলে পৌঁছেছেন। গত সোমবার তারা সেখানে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলের সহধর্মিণী ও শিক্ষিকা মারুফা বিনতে ইব্রাহিমী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্সির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পৃক্ত আজিজ মাহমুদ হুদায়ি ফাউন্ডেশন এবারই প্রথম বাংলাদেশি নারীদের জন্য এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের তুরস্কে যাওয়া-আসার বিমানভাড়া, থাকা-খাওয়া, চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের ব্যয় বহন করবে ফাউন্ডেশন। দুই বছরের এ শিক্ষা কার্যক্রমে কুরআনের পাশাপাশি হাদিস, ফিকহ ও ইসলামের মৌলিক বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তুর্কি ভাষা শেখানো হবে। দৈনন্দিন জীবন ও ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য থাকবে বিভিন্ন ব্যবহারিক প্রশিক্ষণও। এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা, রোগ প্রতিরোধ এবং সুস্থ জীবনযাপন সম্পর্কে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তরুণীদের জন্য প্রয়োজনীয় আদব-কায়দা, শিষ্টাচার ও সামাজিক আচরণ সম্পর্কেও তাদের ধারণা দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন আলোচনা, সেমিনার, কর্মশালা ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে তারা শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি নিজেদের ভাবনা প্রকাশ, পারস্পরিক যোগাযোগ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে তুরস্কের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থানেও শিক্ষাসফরের আয়োজন করা হবে। এসব সফরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশটির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশি নারীদের জন্য প্রথমবারের মতো এমন পূর্ণাঙ্গ বৃত্তির ব্যবস্থা করায় আজিজ মাহমুদ হুদায়ি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে শিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি ও বোঝাপড়া বাড়াতে এ ধরনের শিক্ষাভিত্তিক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আইও/ |