
|
কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় উত্তরায় মুহতামিম সম্মেলন
প্রকাশ:
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩৪ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক দীন শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের তালিম-তারবিয়াহ আরও কার্যকর করা এবং কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে ঢাকার উত্তরা এলাকায় মুহতামিম ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) উত্তরা বিমানবন্দর এলাকার জামিয়া বাবুস সালামে উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৃহত্তর উত্তরা-টঙ্গী এলাকার পাঁচ শতাধিক মুহতামিম ও মাদরাসার দায়িত্বশীল অংশ নেন। উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের কার্যকরী প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমীর সভাপতিত্বে সম্মেলনটি পরিচালনা করেন বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা আনিসুর রহমান। সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন পাকিস্তানের মাওলানা মুহাম্মদ আহমদ লুধিয়ানভী, পাকিস্তানের মাওলানা আশরাফ তাহের, মুনাজিরে জমান মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, আকবর কমপ্লেক্স মিরপুরের মুহতামিম মুফতি দিলাওয়ার হুসাইন, ফরিদাবাদ মাদরাসার প্রধান মুফতি আবু সাঈদ, উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি মুফতি কেফায়তুল্লাহ আজহারী, মাওলানা ফজলে রাব্বি, মুফতি মাসউদুল করিম, মুফতি মহিউদ্দিন মাসুম, মাওলানা নূরুল ইসলাম ও মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ অনেকে। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, কওমি মাদরাসা নায়েবে নবী ও যোগ্য আদর্শ নাগরিক তৈরির কারখানা। দ্বীনে ইসলামের হেফাজতের দুর্গ হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সন্তানকে আগামী দিনের নেতৃত্বের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলাই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি মাদরাসার মুহতামিম, দায়িত্বশীল ও আসাতিযায়ে কেরামকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিটি মাদরাসার তা’লীম ও তারবিয়াহর মানোন্নয়নের দৃশ্যমান পরিবেশ তৈরি করতে সবাইকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। মাওলানা মাহফুজুল হক আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মাদরাসা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সর্বদা সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো মিথ্যা প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচারের মোকাবিলা করতে হবে জোরালোভাবে। তবে তা করতে হবে বিচক্ষণতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে। প্রয়োজন হলে মাদরাসা শিক্ষার ইতিবাচক ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আখতারুজ্জামান, মাওলানা শেখ বোরহানুদ্দীন, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, মুফতি শওকত কাসেমী, মাওলানা ইউসুফ লাকসামী, মুফতি গিয়াসুদ্দিন আল-মাদানী, মাওলানা জাকির হুসাইন গাওয়াইর, মুফতি জাকির হুসাইন মসজিদুল মাগফিরা, মাওলানা আহমদ শফী তুরাগ, মুফতি আলামীন জামিয়াতুল মানহাল, মাওলানা মুকাররম, মাওলানা মায়মুনসহ বিভিন্ন মাদরাসার মুহতামিম ও দায়িত্বশীলরা। আইও/ |