
|
বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত
প্রকাশ:
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩৭ রাত
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনসহ হেবা-সংক্রান্ত যেকোনো আইন প্রণয়নের আগে দেশের বিজ্ঞ আলেম ও ফিকহ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, হেবা ও মিরাস মুসলমানদের পারিবারিক ও সম্পত্তিগত অধিকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কুরআন-সুন্নাহর বিধান উপেক্ষা করে এ বিষয়ে কোনো আইন করা হলে তা ধর্মীয় অধিকার ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তরের মুজাকারা বৈঠকে নেতারা এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নূর মোহাম্মদ কাসেমী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাযহারী। বৈঠকে জমিয়তের নেতারা বলেন, হেবা আইন নিয়ে কোনো ধরনের তাড়াহুড়া, একতরফা সিদ্ধান্ত কিংবা তালবাহানা গ্রহণযোগ্য নয়। আইন প্রণয়নের আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, মুফতি ও ফিকহ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে হবে। প্রস্তাবিত আইনের প্রতিটি ধারা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পর্যালোচনা করে শরিয়াহসম্মত বিধান নিশ্চিত করতে হবে। তারা বলেন, ইসলামি শরিয়তে হেবা একটি স্বীকৃত বিধান। একইভাবে মিরাসের ক্ষেত্রেও আল্লাহ তায়ালা সুস্পষ্ট বিধান দিয়েছেন। তাই মুসলিম নাগরিকদের পারিবারিক সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত বিষয়ে এমন কোনো আইন করা উচিত নয়, যা শরিয়াহর অকাট্য বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সরকার যদি জনস্বার্থ ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, তাহলে হেবা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আলেম-উলামার মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে কুরআন-সুন্নাহসম্মতভাবে হেবা আইন পাস করতে হবে। প্রস্তাবিত আইনে শরিয়াহবিরোধী কোনো ধারা থাকলে তা সংশোধন করতে হবে। বৈঠকে ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম আশরাফী, মাওলানা আখতারুজ্জামান কাসেমী, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন ঢাকুবী, মাওলানা শহীদুল্লাহ, মাওলানা ফজলে ইলাহী, যুগ্ম সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা ফখরুদ্দীন হোসাইনী, মাওলানা মাহফুজুর রহমান, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, মুফতি তাহের সাঈদ, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ, মাওলানা সাইফুদ্দীন ইউসুফ ফাহীম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মাওলানা গোলাম মাওলা, মাওলানা আতাউর রহমান, মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, মাওলানা আজিজুর রহমান মাদানী, মাওলানা রেদওয়ানুর রহমান, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা ওয়াসীউর রহমান, মাওলানা আব্দুল হাকিম, মাওলানা আবুল বাশার, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা মাসনূন ও মাওলানা ওয়ায়েজদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/ |