
|
কাল মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে জুমায় ইমামতি করবেন যারা
প্রকাশ:
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৭ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আগামীকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পবিত্র মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে জুমার নামাজের ইমামতি কারা করবেন তা চূড়ান্ত করেছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। সূচি অনুযায়ী, মসজিদুল হারামে জুমার নামাজে ইমামতি করবেন শায়খ মাহের আল-মুআইকলি। আর মসজিদে নববীতে জুমার নামাজ পড়াবেন শায়খ হুসাইন আলে-শেখ। শায়খ মাহের বিন হামাদ আল-মুআইকলি সৌদি আরবের অন্যতম পরিচিত কুরআন তেলাওয়াতকারী এবং মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব। সৌদি আরবের হারামাইনবিষয়ক ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের জীবনীতে বলা হয়েছে, তিনি ছোটবেলায় কুরআন হিফজ করেন। পরে মদিনার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে পড়াশোনা করে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর মক্কায় শিক্ষকতা ও শিক্ষার্থী পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শরিয়াহর ফিকহ বিভাগে স্নাতকোত্তর এবং তাফসিরে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিকহেও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিচারবিষয়ক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ইমাম হিসেবে তাঁর কর্মজীবনের শুরু মক্কার আল-সাদি মসজিদে। পরে ১৪২৬ ও ১৪২৭ হিজরিতে রমজান মাসে মসজিদে নববীতে ইমামতি করেন। ১৪২৮ হিজরিতে মসজিদুল হারামে তারাবি ও তাহাজ্জুদের নামাজে ইমামতি করেন এবং একই বছর থেকে তিনি মসজিদুল হারামের নিয়মিত ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মসজিদে নববীতে জুমার নামাজের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শায়খ ড. হুসাইন বিন আবদুল আজিজ আলে-শেখ। তিনি সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেম, মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব এবং মদিনার একজন বিচারক হিসেবে পরিচিত। তিনি রিয়াদের শরিয়াহ কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পড়াশোনা শেষ করেন। পরে উচ্চতর বিচারবিষয়ক ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা করে স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ফিকহ, হাদিস ও উসুলুল ফিকহসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেমদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেন। বিচার বিভাগেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন হুসাইন আলে-শেখ। ১৪১১ হিজরিতে নাজরানের উচ্চ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেন। পরে রিয়াদ এবং এরপর মদিনার আদালতে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ পান। হুসাইন আলে-শেখের সঙ্গে মসজিদে নববীর খুতবা ও দারসের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে আকিদা, ফিকহ, পারিবারিক জীবন, নৈতিকতা ও মুসলিম সমাজসংক্রান্ত বিষয়ে খুতবা ও বক্তব্য দিয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি ঐতিহাসিক আরাফার ময়দানে হজের খুতবা দেওয়ার দায়িত্বও পালন করেন। তিনি মসজিদে নববীর ইমামদের মধ্যে প্রথম যিনি সৌদি আমলে আরাফার খুতবা দেওয়ার এই দায়িত্ব লাভ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন আইও/ |