যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ির চার চাকা চুরি, চিরকুট রেখে গেল চোর
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:২৯ বিকাল
নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এক ভারতীয় নারীর ভাইয়ের গাড়ি থেকে চারটি চাকা চুরির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এক্সে (সাবেক টুইটার) এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টাল হাউস এলাকায় গত সপ্তাহান্তে অন্তত তিনটি গাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে কয়েকটি গাড়ির চাকা খুলে নিয়ে যায় চোরেরা।
ওই ভারতীয় নারী একটি ভিডিওতে জানান, তার ভাই সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান, পার্কিংয়ে রাখা তার গাড়ির চারটি চাকাই খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চোরেরা গাড়ির চাকা নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঘটনাস্থলে একটি নোটও রেখে যায়।

নোটে লেখা ছিল, গত সপ্তাহান্তে ক্রিস্টাল হাউসের পার্কিং এলাকায় অন্তত তিনটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত তিনটি গাড়ির চাকা চুরি হয়েছে।

নোটে আরো বলা হয়, পার্কিং এলাকায় চুরির ঘটনা ঠেকাতে ক্রিস্টাল হাউস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি এনডিটিভি। এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা বক্তব্যও প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া গাড়ির চাকা চুরির ঘটনাটি ঠিক কোন স্থানে ঘটেছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্যবহারকারীরা। কেউ ওই পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন, আবার কেউ গাড়ি নিরাপদ রাখার জন্য বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় গাড়ির চাকা চুরির ঘটনা ঘটে থাকে। তাই গাড়ির মালিকদের হুইল লক ব্যবহার এবং পার্কিং এলাকায় নিরাপত্তা ক্যামেরা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

একজন মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় অপরাধের হার বেশি হলেও আবার এমন অনেক জায়গাও রয়েছে যেখানে অপরাধ প্রায় নেই।

তাই গাড়ি কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আরেকজন ব্যঙ্গ করে বলেন, এটি শুধু চুরি নয়, বরং গাড়ির মালিককে ‘শিক্ষা দেওয়ার’ চেষ্টা বলেও মনে হতে পারে। কারণ চোরেরা চুরি করার পরও একটি নোট রেখে গিয়ে সতর্ক করে গেছে।
তৃতীয় এক ব্যবহারকারী মজা করে মন্তব্য করেন, অন্তত চোরেরা গাড়িটিকে মাটিতে না ফেলে একটি শক্ত জিনিসের ওপর রেখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব মন্তব্যে যেমন ঘটনার জন্য উদ্বেগ ও সহানুভূতি দেখা গেছে, তেমনি কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে মজাও করেছেন।

এসএইচ/