ইরানে ৪৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা জানুয়ারিতে
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:৩৯ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক
ইরানের শহর মাশহাদে আগামী জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৪৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতা। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের অর্গানাইজেশন অব এন্ডোমেন্টস অ্যান্ড চ্যারিটি অ্যাফেয়ার্সের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পবিত্র কুরআনের প্রচার ও প্রসার, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিমান কারি ও হাফেজদের সম্মানিত করার লক্ষ্যেই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগে পৃথকভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। পুরুষদের জন্য পূর্ণ হিফজ, তাহকিক তেলাওয়াত ও তারতিল তেলাওয়াত বিভাগ রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য থাকছে পূর্ণ হিফজ ও তারতিল তিলাওয়াত বিভাগ।
ইসলামি বিধান ও প্রতিযোগিতার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী নারী ও পুরুষদের প্রতিযোগিতা পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকদের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারীকে নিজ দেশের স্বীকৃত ও সুনামধন্য জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় সংশ্লিষ্ট বিভাগে শীর্ষস্থান অর্জনকারী হতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর কারিগরি দক্ষতা থাকতে হবে।

অংশগ্রহণকারীকে মনোনীত দেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অন্তত এক বছর আগে থেকে সংশ্লিষ্ট দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের শর্ত রয়েছে।
এছাড়া এর আগে ইরানের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীরা এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না।

প্রতিযোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে পূর্ণ হিফজ বিভাগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতার সব পর্যায়ে—সরাসরি কিংবা ভার্চুয়াল—পবিত্র কুরআনের মর্যাদা ও ইসলামি শালীনতা বিবেচনায় মার্জিত ও দাপ্তরিক পোশাক পরিধান করতে হবে।
একজন প্রতিযোগী কেবল একটি বিভাগেই অংশ নিতে পারবেন। একই ব্যক্তি একাধিক বিভাগে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।

নারী প্রতিযোগীদের ইসলামি বিধান অনুযায়ী মাহরাম পুরুষ সঙ্গী সঙ্গে রাখার শর্ত রয়েছে। তবে পুরুষ প্রতিযোগীদের কোনো সঙ্গী সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ভিসা, যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, আবাসন এবং ইরানে অবস্থানকালীন আতিথেয়তার খরচ আয়োজক কমিটি বহন করবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কুরআন হিফজ ও তেলাওয়াতের উৎকর্ষ তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুরআনপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতেও এ প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

এসএইচ/