বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা মিসাইল হামলা
প্রকাশ: ০৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৭ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে তেল ট্যাঙ্কারের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর পর, তার পাল্টা জবাব দিয়েছে তেহরান।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে ৮৫টি মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।

ইরানের এই আকস্মিক হামলার পর বাহরাইন ও কুয়েত জুড়ে এয়ার রেইড সাইরেন (বিমান হামলার সতর্কতা) বাজানো হয়। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই যৌথ অপারেশন চালানো হয়েছে। এ সময় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সেটিকেও ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। কুয়েতি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক শত্রুভাবাপন্ন মিসাইল ও ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করছে।

এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে গত মঙ্গলবার, যখন হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় কাতার ও সৌদি আরবের ফ্ল্যাগধারীসহ তিনটি বড় বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালানো হয়। কাতার এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে।

এর জবাবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিমান হামলা শুরু করে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, তারা হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা বিঘ্নিত করার অপরাধে ইরানের ৬০টিরও বেশি সামরিক স্পিডবোট, রাডার ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং ড্রোন ও মিসাইল লঞ্চ সাইট ধ্বংস করেছে। মার্কিন হামলায় ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খাড়গ দ্বীপ, কশেম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরের উপকূলীয় এলাকায় তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম