দুই দেশের স্বার্থ বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের প্রত্যাশা ত্রিবেদীর
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩১ বিকাল
নিউজ ডেস্ক

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এই প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

ত্রিবেদী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলমান রয়েছে। সম্পর্ক জোরদার করতে সবপর্যায়ে এই সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। 

এসময় লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান হাইকমিশনার।

ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এটিই ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। 

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। একইসঙ্গে দাবি করেন, পতিত শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার ও ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তারে সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সফর ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিয়েও মতবিনিময় করেন। 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে এ সম্পর্ক সামনে এগিয়ে যাবে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সবসময় নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে। ঐতিহাসিক এ সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে। 

স্পিকার আরও বলেন, বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পুনরায় গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম হয়েছে।

এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আইও/