
|
আজানের জবাব দেওয়ার ফজিলত
প্রকাশ:
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:৩৪ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
আওয়ার ইসলাম ডেস্ক আজান চলাকালীন মোয়াজ্জিনের বাক্যগুলোকে পুনরাবৃত্তি করাকে আজানের জবাব দেওয়া বলে। আজান শুরু হলে তা শোনা এবং জবাব দেওয়া মুস্তাহাব। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যখন আজান শোনো, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তা বলো।’ (সহিহ মুসলিম) তবে কিছু অংশে পরিবর্তন রয়েছে। ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’-এর জবাবে বলতে হবে, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’। আজানের এ জবাব দেওয়ার ফলে মুসলমানদের গুনাহ ক্ষমা করার কথাও বলা হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, মুয়াজ্জিনের সঙ্গে সঙ্গে যে ব্যক্তি আজানের শব্দের পুনরাবৃত্তি করে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (সাহিহ মুসলিম) আজান শেষে কিছু দোয়া রয়েছে। যা পাঠ করলে রাসুল (সা.)-এর শাফায়াত লাভের পাশাপাশি জান্নাতে প্রবেশের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আজান শুনে এই দোয়া বলবে, ‘আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস সালাতিল কায়িমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলা, ওয়াদ দারজাতার রফিআহ, ওয়াব-আছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাযি ওয়াআদতাহ। ওয়ারজুকনা শাফাআতাহু ইয়াওমাল কিয়ামাহ, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মিআদ।’ অর্থ : হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বানের ও স্থায়ী প্রতিষ্ঠিত নামাজের আপনিই প্রভু। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ওসিলা ও সুমহান মর্যাদা দান করুন এবং তাকে ওই প্রশংসিত স্থানে অধিষ্ঠিত করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাকে দিয়েছেন। আর কেয়ামতের দিন তার সুপারিশ আমাদের নসিব করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না। (সহিহ বুখারি) হাদিসের অন্যান্য বর্ণনা থেকেও জানা যায়, যে ব্যক্তি মনোযোগ সহকারে আজানের বাক্যগুলোর জবাব দেবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আজানের পর দোয়া পড়লে গুনাহ মাফ করা হয়, দোয়া কবুল করা হয়, কেয়ামতের দিন শাফায়াত পাওয়া যায় এবং ইবাদতের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ আমাদের আজানের জাবাব ও দোয়া পড়ার তওফিক দান করুন। আইও/ |