
|
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে কারণে ভোট দেননি ৬ এমপি
প্রকাশ:
২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি মির্জা আব্বাসসহ ৬ সংসদ সদস্য। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সহায়ক কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকা ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ভোট দেননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচিত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় ওই আসনে বর্তমানে কোনো সংসদ সদস্য নেই। তাই জাতীয় সংসদে ৩৫০ জন সদস্য থাকার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হয়েছেন ৩৪৯ জন। সব এমপির ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও ওই ছয়জন ভোটে অংশ নেননি। ফলে মোট ভোট পড়ে ৩৪৩টি। এরআগে নির্বাচনি কর্তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করে জানান, নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ও কর্নেল (অব.) অলি পেয়েছেন ৮৮ ভোট। যে কারণে ভোট দেননি ৬ এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অসুস্থতার কারণে ভোট দিতে আসতে পারেননি ঢাকা- ৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা। তারা ইতোমধ্যে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে না আসার কারণ জানিয়েছেন। তাদের দুইজনসহ ভোটদানে অনুপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক; জামায়াতের সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম; স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এমডি অলিউল্লাহ। ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে জানান, এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। এ ছাড়া নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না। তবে একবার শূন্য হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সেই নির্বাচনে আবার অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। ভোট চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। কারণ হিসেবে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় এই নির্বাচনে ভোট দেবে না ইসলামী আন্দোলন। তবে পরে ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আইও/ |