
|
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে একদিনে ৪৪৯ মামলা
প্রকাশ:
১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০১:৪৮ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ক্যামেরার সাহায্যে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে এই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে। হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপিত এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ৪৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম আট ঘণ্টাতেই ৪২৩টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছিল। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় আড়াইশ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়ক সম্পূর্ণ ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এই পুরো অংশে ৪৯০টি নির্দিষ্ট পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে মোট ১ হাজার ৪২৭টি হাই-টেক ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয় উপায়ে দ্রুত গতিতে চলা যানবাহনের নম্বর প্লেট স্ক্যান ও শনাক্ত করতে সক্ষম। মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, নির্ধারিত লেন না মেনে চলা, বিপজ্জনকভাবে ওভারটেকিং করা, উল্টো পথে চলাচল এবং অবৈধভাবে গাড়ি পার্ক করার মতো অপরাধগুলো এই ক্যামেরার মাধ্যমে ধরা পড়ছে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে মামলা তৈরি হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে মামলার বিবরণী সংশ্লিষ্ট যানবাহনের নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল নম্বরে খুদে বার্তা বা এসএমএসের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে। মালিকরা ঘরে বসেই নির্ধারিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে খুব সহজেই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে পারছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালুর ফলে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও অনিয়ম উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। টিএইচএ/ টিএইচএ/ |