
|
চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খুলতে চায় বাংলাদেশ
প্রকাশ:
২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৩ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য চুক্তির উন্নতি, বিনিয়োগকারীদের আস্থা, সুরক্ষা ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খুলতে চায় বলে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমরা শিগগিরই চীনে আমাদের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খুলতে যাচ্ছি। আমাদের উদ্দেশ্য খুবই সহজ। এর মাধ্যমে চীনা বিনিয়োগকারীদের সহায়তা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে চীনের বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এই ঘোষণা দেন তিনি। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের চেয়ারম্যান রেন হংবিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের আরও কাছাকাছি থাকতে, আপনাদের সঙ্গে আরও নিয়মিত কথা বলতে এবং আগ্রহ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করতে আপনাদের সাহায্য করতে চাই। আমরা চীনের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি উন্নত করার জন্যও কাজ করছি, যাতে বিনিয়োগকারীরা আরও শক্তিশালী আস্থা, সুস্পষ্ট সুরক্ষা এবং বিনিয়োগের জন্য একটি আরও আধুনিক কাঠামো পেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের বৃহত্তর বিনিয়োগ পরিকাঠামো উন্নত করার জন্যও কঠোর পরিশ্রম করছি। সরকার একটি নতুন লাইসেন্স অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে, যার ফলে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ১৫ দিনেরও কম সময়ে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। আমরা সম্প্রতি জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেছি, যেখানে আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্যসেবা, ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল পরিকাঠামো, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উন্নত বস্ত্রশিল্পের মতো আমাদের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর জন্য খাত-ভিত্তিক প্রণোদনা ও নীতিগত সুবিধা ঘোষণা করেছি। এই সমস্ত উদ্যোগের একটিই উদ্দেশ্য: বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন আরও সহজে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে বাংলাদেশে আসতে পারে তা নিশ্চিত করা। সবশেষে তারেক রহমান বলেন, আমি এখানে দাঁড়িয়ে এটা বলব না যে, সবকিছু নিখুঁত। কিন্তু আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত, আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি এবং আমরা সেগুলোর সমাধান অব্যাহত রাখব। বাংলাদেশে আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আসুন, আমরা সমতার এক প্রকৃত অংশীদারিত্বে একসঙ্গে সমৃদ্ধি লাভ করি। জেডএম/ |