
|
জুমার দিনের যে সময় দোয়া কবুল হয়
প্রকাশ:
১৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:১৭ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
আওয়ার ইসলাম ডেস্ক সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিন শুক্রবার। মুসলমানদের কাছে এই দিনের গুরুত্ব অনেক। হাদিসে আছে, এই দিনে এমন কিছু সময় রয়েছে, যখন বান্দা যে দোয়াই করুক আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন। বিভিন্ন বর্ণনায় বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, জুমার দিন এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন। (মুসান্নাফ: ৫৫৮৮) হাদিসে বর্ণিত দোয়া কবুলের কিছু সময়— আসরের শেষ সময়: জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিনে এমন একটা সময় রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আসরের শেষ সময়ে তা তালাশ করো। (আবু দাউদ: ১০৪৮; নাসাঈ: ১৩৮৯) জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যদি কোনো মুসলিম এ সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে তা দান করেন। এ মুহূর্তটি তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ: ১০৪৮) আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন। (বুখারি শরিফ: ৬৪০০) আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআদে বর্ণিত আছে, জুমার দিন আসরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (যাদুল মাআদ: ২/৩৯৪) ইমাম আহমদ (রহ.) থেকেও এ কথা বর্ণিত। (তিরমিজি শরিফ: ২/৩৬০ পৃষ্ঠা) ইমাম মিম্বরে ওঠা: আবু বুরদা ইবনে আবু মুসা আশআরি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে বলেছেন, ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত। (আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৯) আইও/ |