
|
বাগেরহাটে নেতার ওপর জামায়াত-শিবিরের হামলা, ছাত্র আন্দোলনের নিন্দা
প্রকাশ:
১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৫২ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক বাগেরহাটে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্বশীলের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির বাগেরহাট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ নওশের ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ। বুধবার (১২ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে নওশের ইসলামের ওপর স্টিলের পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে হামলার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ন্যাক্কারজনক। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে পেশিশক্তি, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমত দমনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘটনা সুষ্ঠু ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত। বিবৃতিতে হামলার বর্ণনা দিয়ে বলা হয়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে বাগেরহাটের গোপালপুর রোডে মোটরসাইকেলযোগে আসা চার-পাঁচজন নওশের ইসলামের পথরোধ করেন। অভিযোগ করা হয়, বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল ইসলাম রাহাতের একান্ত সহকারী হিসেবে পরিচিত শিবিরনেতা মেহেদী রিয়াদের নেতৃত্বে তারা প্রথমে নওশেরকে গালিগালাজ ও ধাক্কা দেন। একপর্যায়ে তাকে রাস্তার পাশের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর ফেলে স্টিলের পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় অন্যরা তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তাঁর মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় নওশের গুরুতর আহত হন দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারা জড়িত, তা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়, পদ-পদবি কিংবা কোনো ধরনের প্রভাব ব্যবহার করে অপরাধ আড়াল করার সুযোগ নেই। তারা আরও বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ অন্যায়, সন্ত্রাস ও পেশিশক্তির কাছে কখনো মাথানত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। নওশের ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সাংগঠনিক ও আইনানুগভাবে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ। আরএইচ/ |