প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত বাবুনগর মাদরাসা
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৫ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহাসিক বাবুনগর মাদরাসায়। রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে দুপুর ২টার দিকে মাদরাসাটিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে বাবুনগর মাদরাসায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রশাসনের পাশাপাশি মাদরাসা কর্তৃপক্ষও প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।

বাবুনগর মাদরাসা সফরের পর প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক হাটহাজারী মাদরাসায় যাবেন। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ও সাবেক আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগারীর (রহ.) কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি হাটহাজারী মাদরাসা পরিদর্শন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কওমি মাদরাসা সফরকে ঘিরে দেশের আলেম-ওলামা ও দ্বীনি অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কওমি মাদরাসা পরিদর্শন এবং শীর্ষ আলেমের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাষ্ট্র ও দেশের দ্বীনি অঙ্গনের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এর আগে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাবুনগর মাদরাসায় সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বাবুনগর মাদরাসায় যাওয়ার বিষয়টিও সফরটিকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সফর ঘিরে শুধু বাবুনগর ও হাটহাজারী নয়, পুরো অঞ্চলে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি, বাবুনগর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। একই সফরে কক্সবাজারের মহেশখালীতেও তার কর্মসূচি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যেও চলছে ব্যাপক কর্মতৎপরতা।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন দেশের উলামায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনের অনেকে। তাদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্র ও আলেমসমাজের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশের কওমি মাদরাসা ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরএইচ/