
|
ময়মনসিংহে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অতঃপর ডাকাতি
প্রকাশ:
১৭ জুন, ২০২৬, ০৬:৪৮ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে হাত-পা ও চোখ বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের পর ভুক্তভোগীর মায়ের ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা ডাকাতির অভিযোগও উঠেছে। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার পাগলা থানার কুরচাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে এ ঘটনা ঘটে। পরে আজ বুধবার (১৭ জুন) সকালে এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘটনার শিকার পরিবার থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানায়। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গফরগাঁও উপজেলার নিগুয়ারি ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামের বাসিন্দা নির্যাতনের শিকার ওই নারী (২০)। কৃষক স্বামীকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে বসবাস করেন। গতকাল রাত ১ টার দিকে ৭-৮ জনের একটি দল নারীর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। দলটি অস্ত্রের মুখে নারীর স্বামীকে হাত, পা, চোখ ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে নারীকে জিম্মি করে পাশের নির্জন বাড়ির উঠানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় দুইঘণ্টা সময় নির্যাতন চালানোর পর নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে নারীর মায়ের ঘরে নিয়ে যায় দলটি। সেখানে দুজনকে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে চলে যায় দলটি। নির্যাতনের শিকার ওই নারীর মা বলেন, আমার মেয়েকে ধর্ষণ শেষে অসুস্থ অবস্থায় আমার ঘরে নিয়ে আসে দলটি। তারা আমাকে ও আমার মেয়ের গলায় দা ধরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখায় আমরা চিৎকার করে মানুষও ডাকতে পারিনি। পুরো দলটিতে ৮ জন ছিলো, এর মধ্যে ৩-৪ জনকে আমি চিনেছি। আমার স্বামী ছিলো প্রতিবন্ধী মারা গেছে। মেয়েটাকে নিয়ে থাকতাম। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করছে তাদের কঠিন বিচার চাই। পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যারা এসেছিল তাদেরকে চিনতে পেরেছে। নারীর প্রতিবেশীরাই এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেছে। তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ কাজ করতে পারে বলে আমাদের ধারণা। পুলিশ জড়িতদের ধরতে ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। জেডএম/ |