
|
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ
প্রকাশ:
০৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৭ রাত
নিউজ ডেস্ক |
আওয়ার ইসলাম ডেস্ক আগামী বছর ১৪৪৮ হিজরি (২০২৬-২৭) অনুমোদিত ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। অনুমোদনের পাশাপাশি এজেন্সিগুলোকে দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু শর্ত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত জারি করা সার্কুলার সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়/প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়েছে। সার্কুলারে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ওমরাহ) স্বাক্ষরিত ২১ জুলাইয়ের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশ থেকে ওমরাহযাত্রী সৌদি আরবে পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২২ (সংশোধিত) অনুসরণ করে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ওমরাহযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরব পাঠানো, সেখানে প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করা এবং সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট এজেন্সির। এছাড়া ১৪৪৮ হিজরির মধ্যে পাঠানো সব ওমরাহযাত্রীর সৌদি আরব গমন ও দেশে ফেরার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ (ওমরাহ) শাখায় জমা দিতে হবে। এ নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরবর্তী বছরের বৈধ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যেসব শর্ত মানতে হবে— >সরকার নির্ধারিত এক হাজার জনের কোটার বেশি ওমরাহযাত্রী পাঠানো যাবে না। >প্রতিটি ওমরাহ এজেন্সির জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং সেই হিসাবের তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। >যাত্রীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করতে হবে এবং চুক্তি অনুযায়ী সব সেবা নিশ্চিত করতে হবে। >ওমরাহযাত্রী পাঠানোর আগে নির্ধারিত ফরম-৬ অনুযায়ী যাত্রীদের তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবের জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে জমা দিতে হবে। >সরকারের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত যাত্রী পাঠানো হলে তা অনিয়ম ও অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। >ওমরাহ-সংক্রান্ত অভিযোগ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। >বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের ওমরাহ-সংক্রান্ত সব নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। >বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওমরাহ প্যাকেজ, প্রসেসিং ফি এবং অন্যান্য সেবার ব্যয় স্পষ্টভাবে ঘোষণা করতে হবে। আরও জানানো হয়েছে, কোনো ওমরাহযাত্রী নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরে না এলে তার ফেরার নির্ধারিত তারিখের এক মাসের মধ্যে যাত্রীর নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর এবং দেশে ফিরতে না পারার কারণ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে লিখিতভাবে জানাতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির দেওয়া তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই ওই এজেন্সির অনুমোদন বাতিলের অধিকার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংরক্ষণ করবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আইও/ |