‘ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০২:২৩ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাট প্রতিনিধি

সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ।

রোববার (২ আগস্ট) জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশ, বাগেরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে বাগেরহাট গ্লোবাল এডুকেশন ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, ইনসাফভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইমাম, খতীব ও ওলামায়ে কেরামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদের মিম্বার ও ওয়াজ-মাহফিলের মঞ্চ থেকে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষকে ন্যায়পরায়ণতা, সততা, পারস্পরিক অধিকার এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে নববী আদর্শ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, খতীবরা তাদের সামাজিক প্রভাবকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে সাপ্তাহিক জুমার খুতবায় ইসলামী সমাজব্যবস্থার কল্যাণকর দিক এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরলে সমাজে ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু তাহের আল মাদানী। প্রধান আলোচক হিসেবে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মুফতি আতাউর রহমান আলমপুরী ইমাম ও খতীবদের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উপস্থাপন করেন।

বাগেরহাট জেলা মতবিনিময় সভা বাস্তবায়ন কমিটি ও নবগঠিত জেলা কমিটির আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মুফতি মানফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুল গাফফার, নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মুফতি জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মুফতি ফেরদাউস আলম, যুগ্ম সদস্যসচিব মুফতি আবিদুর রহমান, অর্থসচিব মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা হাবিবুল্লাহ, মাওলানা মুরাদুল ইসলাম, মাওলানা ইমরান বিন লুৎফুর, মাওলানা আব্দুল হাই এবং মুফতি তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

দিনব্যাপী এ মতবিনিময় সভায় বাগেরহাট শহর ও জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ২০০ জন ইমাম ও খতীব অংশগ্রহণ করেন। সভায় ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠন, ইমাম-খতীবদের পেশাগত উন্নয়ন এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

আরএইচ/