গহরপুরী রহ. সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, এমপি এম এ মালেককে আলটিমেটাম
প্রকাশ: ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০৬ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিকের বিরুদ্ধে বরেণ্য বুজুর্গ আল্লামা হাফেজ নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী রহ. এবং গহরপুর এলাকা সম্পর্কে ‘কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর’ মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন গহরপুরের সর্বস্তরের জনগণ। একই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় মরিয়ম কমিউনিটি সেন্টারে গহরপুর এলাকার সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এক জরুরি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এলাকার আলেম-উলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করেছেন যে, এমপি এম এ মালিক সম্প্রতি বরেণ্য বুজুর্গ, শাইখুল হাদীস আল্লামা হাফেজ নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী রহ. এবং গহরপুর এলাকা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তার এ বক্তব্য শুধু একজন ব্যক্তির প্রতি অসম্মান প্রদর্শন নয়; বরং গহরপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, দ্বীনি অবদান এবং এলাকার মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির ওপর সরাসরি আঘাত।

বক্তারা আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। এ ধরনের মন্তব্য সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং জনমনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। তাই অবিলম্বে উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

সভা থেকে সর্বসম্মতিক্রমে বলা হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এমপি এম এ মালিক তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে গহরপুরবাসী সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, গহরপুরের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক মর্যাদা নিয়ে কোনো ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য এলাকাবাসী মেনে নেবে না। তারা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি আদায়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেও প্রয়োজনে বৃহত্তর কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।

আরএইচ/