
|
কাল শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, চলবে দুই মাস
প্রকাশ:
২৬ জুলাই, ২০২৬, ০২:৩৬ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। যারা আগামী বছর পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা রাখেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই নিবন্ধনে অংশ নিতে পারবেন। প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছুদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য সরকার নির্ধারিত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। এই অর্থ জমা দিয়ে সরকারি কিংবা বেসরকারি—উভয় ব্যবস্থাপনাতেই প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেমে ইউজার তৈরি করে যে কেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবেন। পাশাপাশি নিচের স্থানগুলো থেকেও নিবন্ধন করা যাবে— ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম কার্যালয় ঢাকা হজ অফিস সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুকদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে। সরকারের নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী এবার ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। এ ছাড়া নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা হজের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন— হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি স্নায়ুবিক বা মানসিক রোগ এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যানসার রোগী জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগ, যেমন যক্ষ্মা বা হেমোরেজিক জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারী, যাঁরা প্রয়োজনীয় ফিটনেস সনদ পাবেন না। হজে যাওয়ার আগে স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে। আইও/ |