কুরবানি কার ওপর ওয়াজিব?
প্রকাশ: ২৭ মে, ২০২৬, ০৮:০১ রাত
নিউজ ডেস্ক

|| মাওলানা নাদিরুজ্জামান ||

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আর ঈদুল আজহা মানেই রবের সন্তুষ্টিতে পশু কুরবানি। আনন্দ-উৎসবের আমেজে প্রভুর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। তবে এই কুরবানি কাদের ওপর ওয়াজিব—ঈদ আসলেই এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খায় অনেকের মনে। 

এর উত্তরে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম বলেন, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনাতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। 

টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা বা এর অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।
   
নেসাব হলো—স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নেসাব হলো—বস্তুর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। 

সোনা-রূপা কিংবা টাকা-পয়সার কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে, কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়, তাহলেও তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

আইও