
|
শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য শরিয়া আইন বাস্তবায়ন জরুরি
প্রকাশ:
২২ মে, ২০২৬, ০৮:২২ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
|| মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী || শরিয়া আইনে জেনার শাস্তি অবিবাহিতদের বেলায় ১০০ দোর্রা এবং বিবাহিতদের বেলায় অর্ধেক শরীর মাটিতে পুঁতে প্রস্তরাঘাতে হত্যা। সমকাম, বিকৃতি ও বলাতকারের ক্ষেত্রে দায়ী ব্যক্তিকে পর্বত বা উঁচু স্থাপনা থেকে ফেলে হত্যা। নিষ্পাপ নারীদের প্রতি মিথ্যা তোহমতের শাস্তি ৮০ দোর্রা এবং মদ মাদকদ্রব্য গ্রহণের শাস্তি ৮০ দোর্রা। নিতান্তই খাদ্যাভাব ও জীবন ধারনের ক্ষেত্র ছাড়া মানুষের অর্থ সম্পদ চুরি পাচার ও আত্মসাতের জন্য একটি হাত কেটে দেওয়া। পুনরায় এ অপরাধ করলে দুটো হাতই কেটে দেওয়া। শিশু রেইপ, খুন, ডাকাতি ও সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি ও টেস্টের পর হাত পা কেটে শূলে চড়িয়ে হত্যা এবং এ দৃশ্য স্পটে উপস্থিত জনতা ও অন্য দর্শকদের জন্য মিডিয়ায় প্রচার। এসব বিচার ৫/৭ দিনের মধ্যেই কার্যকর করা সম্ভব। এতে কোনো ঘুষ দুর্নীতি বা আইনি সহায়তার পথ খোলা থাকবে না। কোরআন সুন্নাহ বর্ণিত সাজার বাইরে বাকি সব অপরাধের জন্য বিজ্ঞ কাজি ও ফকিহ সময় সমাজ পরিবেশ পরিস্থিতি এবং অপরাধের গুরুত্ব লঘুত্ব বিবেচনা করে উদ্ভাবিত দন্ড প্রদান করবেন। এক্ষেত্রে তিনি মুফতি ও জুরি বোর্ডের পরামর্শ নিবেন। শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করে অপরাধের আধিক্য, ধারাবাহিকতা ও প্রবণতা রুখে দেওয়া যায়। অপরাধ করতে চাইলেই যেন অপরাধী ব্যক্তি নিশ্চিত চরম কঠোর শাস্তির কথা ভেবে তার কলিজার পানি শুকিয়ে যায়।আর পূর্ণাঙ্গ শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা চালু করলে অপরাধের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। আধুনিক বিশ্বের সব রাষ্ট্রের মধ্যে শরিয়াভিত্তিক শাসন ও বিচার ব্যবস্থায় পরিচালিত রাষ্ট্রগুলোতে সবচেয়ে কম চুরি ডাকাতি খুন সন্ত্রাস রেইপ ইত্যাদি সংঘটিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শরীয়া আইন বাস্তবায়ন খুবই প্রয়োজন। অন্যায় অপরাধ ও জুলুমে ভরে যাওয়া দেশটির জন্য শরিয়ার কোনো বিকল্প নেই। লেখক: সিনিয়র লেখক, সাংবাদিক ও রাষ্ট্রচিন্তক আইও/ |