
|
কুরবানির চামড়া কালেকশন নিয়ে শায়খে যাত্রাবাড়ীর তিন নির্দেশনা
প্রকাশ:
২০ মে, ২০২৬, ০৫:০৬ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
পবিত্র ঈদুল আজহা দুয়ারে হাজির। এবারও কুরবানির পশুর চামড়া নিয়ে কারসাজির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এই অবস্থায় অনেক মাদরাসা আগেভাগে চামড়া কালেকশন থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিচ্ছে। তবে বেফাকসহ অন্যান্য শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। ফলে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে কুরবানির চামড়া কালেকশন নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে। এই অবস্থায় দেশের আলেমদের শীর্ষ মুরব্বি, হাইয়্যাতুল উলয়ার চেয়ারম্যান এবং বেফাকের সভাপতি আল্লামা মাহমুদূল হাসান শায়খে যাত্রাবাড়ীর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি নির্দেশনা সামনে এসেছে। শায়খ পরিচালিত জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা নাঈম আবু বকর ফেসবুকে তিনটি নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেছেন। সেই নির্দেশনাগুলো এখানে তুলে ধরা হলো- ১। ছাত্রদেরকে কাজের ব্যাপারে সম্পূর্ণ এখতিয়ার দেওয়া। যে চায় কাজ করবে, যে চায় বাড়িতে যাবে। কাউকে কাজের ব্যাপারে বাধ্য করা যাবে না। ২। যারা কাজ করবে, তারা শুধু মানুষের কুরবানি জবাই করে চলে আসবে। চামড়া টানাটানি করা তাদের কাজ নয়। যারা মাদরাসায় দিতে চায়, নিজ দায়িত্বে মাদরাসায় পৌঁছে দেবে। শায়েখ বলেন, ‘আমার উস্তাদ সাইয়িদ ইউসুফ বিন্নুরি রহ. চামড়া তাহসিল পছন্দ করতেন না। একবার কোনও কারণে তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ঈদের দিন যখন দেখলেন, ছাত্ররা কাঁধে করে রক্ত- ও ময়লাযুক্ত চামড়া বহন করে আনছে, সঙ্গে-সঙ্গে মাদরাসায় এসে বললেন, ‘আভী বন্দ করো। ইয়ে তালাবা ওয়ারাসায়ে আম্বিয়া হ্যাঁয়, উন সে ইয়ে গান্দেগি কা কাম লেনা মুনাসিব নেহিঁ।’ (এখনই বন্ধ কর। ছাত্ররা নবীর ওয়ারিস, তাদেরকে দিয়ে এ ময়লা চামড়া বহন করানো উচিত নয়।) ৩। যারা বাড়িতে যাবে, তাদের উপর কোনও নির্ধারিত অংকের দান চাপিয়ে না দেওয়া। তাদেরকে কেবল উৎসাহিত করা, যাতে তারা মাদরাসার কল্যানে স্বেচ্ছায় দান করে। কেউ দান করতে না পারলে তাকে কোনও প্রকার শাস্তি দেওয়া যাবে না। আরএইচ/ |