
|
বজ্রপাত থেকে বাঁচার দোয়া ও তাসবিহ
প্রকাশ:
২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৫১ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
|| ওসমান গণি আশেকী || বৈশাখ তথা বর্ষার সময় এলে প্রায়ই প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সম্প্রতি সময়ে আবার ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হয় প্রচণ্ড বজ্রপাতও। এতে প্রতি বছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারায়। এ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) এ সময় ছোট্ট একটি দোয়া পড়তেন। আবার বজ্রপাতের মৃত্যু থেকে বাঁচতে হাদিসে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। আপনাদের জন্য ছোট্ট এ দোয়া ও তাসবিহটি তুলে ধরা হলো— বজ্রপাত মহান আল্লাহ তাআলার শক্তিমত্তার এক মহা নিদর্শন। বজ্রপাত হচ্ছে আসমানি দুর্যোগ। মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখার সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা এ নামে (সুরা রাদ) একটি স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে শিখিয়েছেন একটি দোয়া। উল্লেখ করেছেন একটি ছোট তাসবিহ। যা হাদিসের বর্ণনায় এভাবে ওঠে এসেছে— * দোয়া হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন বা বিদ্যুতের চমক দেখতেন; তখন সঙ্গে সঙ্গে বলতেন— اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَ لَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَ عَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না। আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। এর আগেই আমাদের ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করো।’ (তিরমিজি ৩৪৫০, মিশকাত ১৫২১) ‘মুসান্নাফে আবি শায়বা’য় বজ্রের আক্রমণে মৃত্যু থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি তাসবিহ পড়ার কথা বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ তাসবিহ পড়বেন; তিনি বজ্রপাতের আঘাত থেকে মুক্ত থাকবেন। তাসবিহটি হলো— سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।’ সুতরাং আসমানি দুর্যোগ বজ্রপাতের যাবতীয় ক্ষতি ও প্রাণহানি থেকে মুক্ত থাকতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও তাসবিহটির যথাযথ আমল করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা এতে বান্দাকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দিন। লেখক: ইমাম, খতিব ও মাদরাসা শিক্ষক জেডএম/ |