
|
‘পুলিশ কমিশনকে আরও দুর্বল করে সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে’
প্রকাশ:
০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দলের নিয়মিত বৈঠকে বলেছেন, অতীতের সরকারগুলো ফ্যাসিষ্ট ও স্বৈরাচার হওয়ার প্রধান হাতিয়ার ছিল পুলিশ বাহিনী। দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা এই বাহিনীকে সরকারগুলো নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে এতো নগ্নভাবে ব্যবহার করেছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ একটি গণবিরোধী খুনি বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অথচ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে আমাদের পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভুমিকা ও ইতিহাস রয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতৃত্বের অবৈধ উচ্চাভিলাস পূরণে পুলিশকে কলংকিত করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে জাতি পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব করে গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা করেছিলো। পুলিশকে রাজনৈতিক ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপরে নির্ভরশীল না করে স্বকীয় ও নিজস্ব আইনে পরিচালিত করার জন্য একটি শক্তিশালী পুলিশ কমিশন গঠন করার দাবী উঠেছিলো যার অধিনে পুলিশে সামগ্রিক সংস্কার সাধিত হবে। মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেন, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই পুলিশ কমিশনকে নানাভাবে দুর্বল করার অপচেষ্টা হয়েছে। তারপরেও একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিলো। এই সরকার সেই অধ্যাদেশের মধ্যেও নানা কাটাছেড়া করে পুলিশ কমিশনকে আরো দুর্বল করে সংসদে উপস্থাপন করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে জোর দাবী জানাচ্ছি যে, পুলিশকে আধুনিক ও নিজস্ব আইনে পরিচালিত একটি জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ কমিশনকে আরো শক্তিশালী করে সংসদে উপস্থাপন করুন। কারণ পুলিশ বাহিনী জনবান্ধব ও রাজনৈতিক প্রভাব বলয়ের বাইরে থেকে পরিচালিত হলে দেশে নতুন স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার সম্ভবনা অনেকাংশে কমে যাবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী মোস্তফা কামাল, সহ-প্রচার ও দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, সহ-দফতর সম্পাদক এডভোকেট বরকতুল্লাহ লতিফ, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, ডা. শহিদুল ইসলাম। জেডএম/ |