ফজর কাজা হলে করণীয়
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:১৯ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

|| ইমরান ওবাইদ ||

নামাজ আল্লাহর ফরজ করা বিধান। ইসলামের পাঁচ খুটির দ্বিতীয় হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা ফরজ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা নিসা: ১০৩)

ফজরের নামাজের নির্দিষ্ট সময় হলো, সুবহে সাদিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই ফজরের নামাজ আদায় করতে হবে। নামাজের ব্যাপারে উদাসীন হওয়া বা ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দেওয়া মারাত্মক কবিরা গুনাহ। পবিত্র কুরআনে নামাজের ব্যাপারে উদাসীনদের শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে ‘ওয়াইল’ শব্দ দ্বারা। যার বাংলা অর্থ দুর্ভোগ, কঠিন শাস্তি, ধ্বংস বা জাহান্নামের একটি নির্দিষ্ট স্থান। যার বিশ্লেষণে বোঝা যায়, নামাজের ব্যাপারে উদাসীনরা পরকালে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘দুর্ভোগ সেসব নামাজীদের জন্য, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন।’ (সুরা মাউন: ৪-৫)

ঘুমের কারণে বা ভুলে ফজরের নামাজ ছুটে গেলে, ঘুম ভাঙলে বা স্মরণ হলে কাজা করতে হবে। হজরত আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যদি কেউ নামাজ আদায় করতে ভুলে যায় বা ঘুমিয়ে থাকে, তাহলে তার কাফফারা হলো, যখনই মনে পড়বে বা ঘুম ভাঙবে, তখনই (সঙ্গে সঙ্গে) নামাজ আদায় করে নেবে।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ৬৮৪)

লেখক: ফারেগ, জামিয়া ফরিদাবাদ। সাব-এডিটর, আওয়ার ইসলাম।

জেডএম/