
|
শাওয়ালের ছয় রোজা কেন এতো ফজিলতপূর্ণ?
প্রকাশ:
২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৩:২৫ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
|| জুনাইদ আহমাদ || রমজানের মহান বরকতময় মাস শেষ হওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ রেখেছেন—তা হলো শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখা। শাওয়ালের এই ৬টি রোজা যদিও নফল তারপরও ফজিলত অনেক। নফল ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ হয়। সহিহ বুখারিতে আছে, আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন- আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলীর সঙ্গে শক্রতা রাখবে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করি। আমার বান্দা ফরজ ইবাদতের চাইতে আমার কাছে অধিক প্রিয় কোনো ইবাদত দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করবে না। আমার বান্দা সর্বদা নফল ইবাদত দ্বারা আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকবে। এমনকি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয় পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে সবকিছু দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যার দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কোন কিছু সওয়াল করে, তবে আমি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় চায়, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি যেকোন কাজ করতে চাইলে এটাতে কোন রকম দ্বিধা সংকোচ করি না যতটা দ্বিধা সংকোচ মুমিন বান্দার প্রাণ হরণে করি। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার কষ্ট অপছন্দ করি। এ রোজার ফজিলত অনেক এবং এর প্রমাণ সহিহ হাদীসে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত। শাওয়ালের ৬ রোজা কীভাবে রাখা যায়? লেখক: মুদাররিস, জামিয়া ইমদাদিয়া আরাবিয়া শেখেরচর মাদরাসা নরসিংদী এমএম/ |