
|
ঈদের দিনের সুন্নত ও মুস্তাহাবসমূহ
প্রকাশ:
২০ মার্চ, ২০২৬, ০৪:০১ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
|| মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী || প্রতিটি জাতিরই আনন্দ ও খুশির জন্য নির্দিষ্ট কিছু দিন রয়েছে। মুসলমানদের জন্য বছরে দুটি আনন্দ উৎসব। একটি ঈদুল ফিতর আর অপরটি ঈদুল আজহা। এক মাস রমজানের রোজা রাখার পর ১ শাওয়াল ঈদুল ফিতর এবং ১০ জিলহজ ঈদুল আজহা। এই দুই ঈদের তাৎপর্য হলো, সারা বিশ্বের মুসলমানগণ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক প্রদত্ত অগণিত নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে নামাজ, দান-সাদকাহ ও কুরবানির মাধ্যমে। এরূপ আনন্দ অনুষ্ঠানে জাগতিক লাভের সাথে সাথে পারলৌকিক উপকারের কথাও বলা হয়েছে। হজরত আউস আনসারি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- ‘ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ফিরিশতাগণ রাস্তায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে যান এবং মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন, হে মুসলিমগণ! তোমরা দয়ালু প্রতিপালকের দিকে এগিয়ে আসো। উত্তম প্রতিদান ও বিশাল সাওয়াব প্রাপ্তির জন্য এগিয়ে আসো। তোমাদেরকে রাতে নামাজের নির্দেশ দেওয়া হলে তোমরা সে নির্দেশ মেনে নামাজ আদায় করেছো। তোমাদেরকে দিনে রোজা রাখতে বলা হলে তোমরা সে নির্দেশও পালন করেছো, এক মাস রোজা রেখেছো। গরিব দুঃখিদের পানাহারের মাধ্যমে নিজ প্রতিপালককে তোমরা পানাহার করিয়েছো। এখন নামাজ পড়ার মাধ্যমে এগুলোর প্রতিদান ও পুরস্কার গ্রহণ করো। ঈদের নামাজ পড়ার পর ফিরিশতাগণের মাঝে একজন ঘোষণা দেন- তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা সফলতার পতাকা নিয়ে নিজের বাড়ি ফিরে যাও। এ দিনটি হচ্ছে পুরস্কার প্রদানের দিন। আকাশে এ দিনকে পুরস্কারের দিনই নামকরণ করা হয়েছে।’ (তাবারানি)। এজন্য ঈদের দিনের কিছু আমলও রয়েছে। ঈদের দিনের কিছু সুন্নত ও মুস্তাহাব আমল এখানে তুলে ধরা হলো। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, উত্তরা, ঢাকা |