
|
আলহুদা উলামা সোসাইটির ঈদ সামগ্রী বিতরণ
প্রকাশ:
২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩২ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
কিশোরগঞ্জের ইটনা থানাধীন ছিলনী গ্রামের আলেমদের সংগঠন আলহুদা উলামা সোসাইটির উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আটা, চিনি, তেল, দুধ, সেমাই দিয়ে সাজানো ঈদ উপহার এলাকার দরিদ্রদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি বিভিন্নভাবে সমাজসেবায় ভূমিকা রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। আল হুদা উলামা সোসাইটি একটি আলোর অভিযাত্রা। ধর্মপ্রাণ মানুষের আত্মিক বন্ধন, আলেম সমাজের ঐক্য এবং সমাজের প্রকৃত কল্যাণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু এ সোসাইটির। ২০০৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন ছিলনী গ্রামের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু সাঈদ ভৈরবীর ডাকে একত্রিত হন এলাকার আলেম-উলামা ও তলাবায়ে কেরাম। মসজিদের মিনারের দ্বিতলে অনুষ্ঠিত সেই মজলিসেই সর্বপ্রথম গড়ে ওঠে একটি স্বপ্ন- যেখানে ইসলাম, ঈমান ও মানবতার পতাকা একত্রে উড্ডীন থাকবে। পরবর্তী সময়ে গ্রামের উলামায়ে কেরাম ও তালেবে ইলমদের সম্মিলিত পরামর্শ, চিন্তা ও আলোচনার মাধ্যমে ০৫/০৫/২০০৫ তারিখে আত্মপ্রকাশ ঘটে সেই স্বপ্নিল সংগঠনের। নামকরণ করা হয় ‘আল হুদা উলামা সোসাইটি’। নীতিবাক্য বা স্লোগান হিসেবে গ্রহণ করা হয় কুরআনুল কারিমের আয়াত ‘তোমরা সৎ ও খোদাভীতির কাজে একে অপরকে সাহায্য করো’কে। সেদিন থেকে আজ অবধি ইসলামি মূল্যবোধের আলোকে সমাজ গঠনের এক অনন্য অভিযানে ছুটে চলেছে এই সংগঠন। এই সংগঠনের প্রধান ও মূল লক্ষ্য হলো সমাজ থেকে শিরক, বিদআত, কুসংস্কার, সমাজ বিধ্বংসী কার্যকলাপ, অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি ও অনৈতিকতার ঘোর অন্ধকার দূর করে একটি আদর্শ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা। যেখানে মানুষ বাঁচবে পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা নিয়ে। ঈমান ও আমলের সৌরভে সুবাসিত হয়ে। চালিত হবে সবাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে। দ্বিতীয়ত স্থানীয় ওলামায়ের কেরামের মাঝে ঐক্য বজায় রেখে বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজেরা স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি মানবসেবায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমিকা রাখা। আল হুদা উলামা সোসাইটির গৌরবময় অগ্রযাত্রায় যাদের ত্যাগ, শ্রম, দোয়া ও নেতৃত্বের বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে, তারা হলেন- আল হুদা উলামা সোসাইটি শুধু একটি সংগঠন নয়-এটি একটি নৈতিক আন্দোলন ও সমাজ সংস্কারের পথে দীপ্ত পদযাত্রা। এর সদস্যরা স্বপ্ন দেখেন এমন এক সমাজের যেখানে ঈমান, একতা, ন্যায় ও ভালোবাসা হবে সকল কর্মের চালিকাশক্তি। এমএম/ |