
|
বেফাকে ফাতিমাতুযযাহরা রা. মহিলা মাদরাসার ৫৫টি মেধাতালিকা অর্জন
প্রকাশ:
১৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫২ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
বিগত আট বছর ধরে কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল আরাবিয়া বাংলাদেশের (ছাত্রী শাখা) অধীন কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় মেধাতালিকার গৌরবময় স্থান ধরে রেখেছে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র রামপুরায় অবস্থিত ফাতিমাতুযযাহরা রা. মহিলা মাদরাসা ঢাকা। সাফল্যের এই ধারা বেফাকের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষাতেও বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (১৮ মার্চ) প্রকাশিত বেফাকের ফলাফলে দেখা যায়, বিভিন্ন মারহালার মেধাতালিকায় ১ম, ২য়, স্থানসহ মোট ৫৫টি মেধাস্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে ফজিলতে (মেশকাত) ৩ জন, সানাবিয়া উলিয়ায় (শরহে বেকায়া) ২য় স্থানসহ ১২ জন, মুতাওয়াসসিতায় (নাহবেমীর) প্রথম স্থানসহ ২৭ জন, ইবতিদাইয়ায় (তাইসির)-এ ১৩ জন শিক্ষার্থী এ গৌরবের স্বাক্ষর রেখেছে। দুই বছর আগে হাইয়াতুল উলয়ায় সবচেয়ে বেশি (৫টি) মেধাস্থান লাভ করে দেশের অন্যতম সেরা এ প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি একই সময় বেফাক ও হাইয়ায় সর্বমোট ৬১টি মেধাতালিকা অর্জন করেছে। ফলাফলের বিষয়ে মাদরাসাটির মুহতামিম মাওলানা মাওলানা মাহমুদ জাকির বলেন, সফলতার জন্য সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শুকরিয়া আদায় করছি। কারণ তিনিই আমাদের এ সফলতা দান করেছেন। তার দেওয়া তাওফিক ও বদৌলতেই ছাত্রীরা কঠোর পরিশ্রম করে সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটির অভাবনীয় এ সাফল্যের রহস্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ছাত্রীদের মেধা ও মেহনতকে উপযুক্ত পন্থায় কাজে লাগাতে একঝাঁক আলেমা রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। শিক্ষিকাদের নিবিড় পরিচর্যা ও তত্ত্বাবধানই ভালো ফলাফলের অন্যতম রহস্য। এখানে সকল শিক্ষকা-ছাত্রী নিজ নিজ রুটিনের প্রতি যত্নবান। লেখাপড়ার নিয়মতান্ত্রিকতা, পর্যাপ্ত অনুশীলনী, সমানহারে লেখাপড়ার প্রতি আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এসময় তিনি ‘ভবিষ্যতে যেন ছাত্রীরা সাফল্যের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন’ এর জন্য সবার কাছে বিশেষ দোয়া কামনা করেছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন জামিয়া কাসেম নানুতবীর শিক্ষা সচিব ও মুহাদ্দিস মাওলানা জাকির মাহমুদ। বর্তমানে ফাতিমাতুযযাহরা রা. মহিলা মাদরাসা‘র শায়খুল হাদিস ও মুরব্বি হিসেবে আছেন মালিবাগ মাদরাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা জাফর আহমাদ, বনশ্রী মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, পীরজঙ্গি মাদরাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা আবদুল আখির প্রমুখ। এমএম/ |