
|
বেফাকে ১৬ মেধাস্থানসহ চট্টগ্রামের হালিশহর জামিয়া বাইতুল করিমের ঈর্ষণীয় সাফল্য
প্রকাশ:
১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৫:০৮ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
|| নিজস্ব প্রতিবেদক || কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাইতুল করিম হালিশহর। এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে মাদরাসাটি চট্টগ্রাম মহানগরে তার শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর মোট ১০২ জন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে মেধাতালিকায় স্থান লাভ করেছেন ১৬ জন শিক্ষার্থী। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী ১০২ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৯ জন মুমতাজ (স্টার মার্ক) এবং ২৮ জন জায়্যিদ জিদ্দান (প্রথম বিভাগ) অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়েছেন। মেধা তালিকায় বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর স্থান লাভ এবং উচ্চতর গ্রেড পাওয়ায় চট্টগ্রামের ওলামায়ে কেরাম ও অভিভাবকদের মাঝে খুশির জোয়ার বইছে। মাদরাসার এই ধারাবাহিক সাফল্য সম্পর্কে নির্বাহী মুহতামিম মাওলানা কামাল উদ্দিন সাকী বলেন, ‘মহান রাব্বুল আলামীনের অপার অনুগ্রহ ব্যতীত এমন সফলতা সম্ভব ছিল না। এই অর্জনের পেছনে মাদরাসার নাযেমে তালিমাত, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দ, কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষার্থী ও সচেতন অভিভাবকদের অসামান্য অবদান রয়েছে। আমি সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ তিনি মাদরাসা পরিচালনা কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, ছাত্রদের এমন গৌরবোজ্জ্বল ফলাফলের জন্য পরিচালনা কমিটির সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা ও দায়িত্বশীলদের নিয়মতান্ত্রিক প্রচেষ্টাও ছিল অনন্য। এদিকে, আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাক মিলনায়তনে দুপুর ১১টায় বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বোর্ডের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, গড় পাসের হার ৮০:৯৫%। মুমতায (স্টার মার্ক) ৫৩,৫০০ জন। জায়্যিদ জিদ্দান (প্রথম বিভাগ) ৫৫,৭৪৭ জন। জায়্যিদ (২য় বিভাগ) ৬৫,৬৭৩ জন। মাকবুল (৩য় বিভাগ) ১,১১,৬৭১ জন। মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ২,৮৬,৫৯১ জন। পরীক্ষার ফলাফলের যাবতীয় তথ্য বেফাকের নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.wifaqresult.com)-এ পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ঈসাব্দ হতে ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ঈসাব্দ পর্যন্ত সারা দেশের ৫৯৮টি দরসিয়াত ছাত্র ও ১৩৩৮টি দরসিয়াত ছাত্রী কেন্দ্রে, ৩৯৯টি হিফয ছাত্র ও ৫০টি হিফয ছাত্রী কেন্দ্রে এবং ২২টি ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কিরাআত (ছাত্র-ছাত্রী) কেন্দ্রে মোট ৭টি স্তরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থী ৩,৫৪,০৩৬ জন। এতে দরসিয়াত ছাত্র অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১,০৩,৫৮৪ জন, ছাত্রী অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ২,০৯,২৪২ জন, তাহফিজুল কুরআন ছাত্র অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ৩৭,৬৮৫ জন, ছাত্রী অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ২,৪৭৪ জন ও ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কিরাআত অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১,০৫১ জন। কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাইতুল করিম হালিশহর। এই অভাবনীয় সাফল্যের মধ্য দিয়ে মাদরাসাটি চট্টগ্রাম মহানগরে তার শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর মোট ১০২ জন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে মেধাতালিকায় স্থান লাভ করেছেন ১৬ জন শিক্ষার্থী। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী ১০২ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৯ জন মুমতাজ (স্টার মার্ক) এবং ২৮ জন জায়্যিদ জিদ্দান (প্রথম বিভাগ) অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়েছেন। মেধা তালিকায় বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর স্থান লাভ এবং উচ্চতর গ্রেড পাওয়ায় চট্টগ্রামের ওলামায়ে কেরাম ও অভিভাবকদের মাঝে খুশির জোয়ার বইছে। মাদরাসার এই ধারাবাহিক সাফল্য সম্পর্কে নির্বাহী মুহতামিম মাওলানা কামাল উদ্দিন সাকী বলেন, ‘মহান রাব্বুল আলামীনের অপার অনুগ্রহ ব্যতীত এমন সফলতা সম্ভব ছিল না। এই অর্জনের পেছনে মাদরাসার নাযেমে তালিমাত, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দ, কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষার্থী ও সচেতন অভিভাবকদের অসামান্য অবদান রয়েছে। আমি সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ তিনি মাদরাসা পরিচালনা কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, ছাত্রদের এমন গৌরবোজ্জ্বল ফলাফলের জন্য পরিচালনা কমিটির সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা ও দায়িত্বশীলদের নিয়মতান্ত্রিক প্রচেষ্টাও ছিল অনন্য। এদিকে, আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাক মিলনায়তনে দুপুর ১১টায় বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বোর্ডের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, গড় পাসের হার ৮০:৯৫%। মুমতায (স্টার মার্ক) ৫৩,৫০০ জন। জায়্যিদ জিদ্দান (প্রথম বিভাগ) ৫৫,৭৪৭ জন। জায়্যিদ (২য় বিভাগ) ৬৫,৬৭৩ জন। মাকবুল (৩য় বিভাগ) ১,১১,৬৭১ জন। মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ২,৮৬,৫৯১ জন। পরীক্ষার ফলাফলের যাবতীয় তথ্য বেফাকের নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.wifaqresult.com)-এ পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ঈসাব্দ হতে ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ঈসাব্দ পর্যন্ত সারা দেশের ৫৯৮টি দরসিয়াত ছাত্র ও ১৩৩৮টি দরসিয়াত ছাত্রী কেন্দ্রে, ৩৯৯টি হিফয ছাত্র ও ৫০টি হিফয ছাত্রী কেন্দ্রে এবং ২২টি ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কিরাআত (ছাত্র-ছাত্রী) কেন্দ্রে মোট ৭টি স্তরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থী ৩,৫৪,০৩৬ জন। এতে দরসিয়াত ছাত্র অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১,০৩,৫৮৪ জন, ছাত্রী অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ২,০৯,২৪২ জন, তাহফিজুল কুরআন ছাত্র অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ৩৭,৬৮৫ জন, ছাত্রী অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ২,৪৭৪ জন ও ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কিরাআত অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১,০৫১ জন। আইএইচ/ |