
|
প্রায় ৫ হাজার মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন পাচ্ছেন সম্মানী, আজ উদ্বোধন
প্রকাশ:
১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৮ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
দেশের প্রায় পাঁচ হাজার মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে মাসিক সম্মানী প্রদান করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। একই সঙ্গে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সম্মানী সুবিধার আওতায় আসছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রস্তুতিমূলকভাবে এ সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। এদিকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়েছে, দেশের ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও সম্মানী পাবেন। প্রতিটি মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। বৌদ্ধ বিহারগুলোর জন্যও ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকছে, যা থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা পাবেন। খ্রিস্টান চার্চের ক্ষেত্রেও একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রেখে পালক বা যাজককে ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজককে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বোনাস প্রদানের ঘোষণাও দিয়েছে সরকার। মসজিদে কর্মরতরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুইবার বোনাস পাবেন। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা পাবেন ২ হাজার টাকা করে বোনাস। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, সরকারি ও দেশি-বিদেশি কোনো সংস্থা থেকে যেসব মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অনুদান পেয়ে থাকে, সেসব প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে। চলতি অর্থবছরে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে সরকার। আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানীর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আইএইচ/ |