
|
তারাবিহ নামাজের ফজিলত
প্রকাশ:
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:১৬ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
||ইমরান ওবাইদ|| দেশের আকাশে রমজানের চাঁদ দেখার পর আজ গত হচ্ছে দু’দিন। সেইসঙ্গে পবিত্র কালামের সুমধুর তেলাওয়াতে কেটে গেল দু’তারাবিহ । প্রতি রমজানে বাংলাদেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবিহ পড়া হয়। মাসজুড়ে পুরো কোরআন শরিফ অন্তত একবার শেষ করা হয় তারাবিহর নামাজে। অনেকে দুই থেকে তিনবারও কোরআন খতম করেন। তবে এক খতমের ধারাটাই মুসলিম বিশ্বে বেশি প্রচলিত। তারাবির নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ সবার ওপর তা আদায় করা কর্তব্য। অবহেলা করে ছেড়ে দেওয়া একটা গর্হিত কাজ। মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে তারাবির নামাজ পড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে মুসলমানদের পরস্পরে দেখা-সাক্ষাৎ হয়, যা ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে। রমজানের অন্যতম বিশেষ ইবাদত হলো তারাবির নামাজ। এই ইবাদত মুমিনের জন্য আত্মিক উন্নতির এক অনন্য মাধ্যম। কোরআন ও হাদিসে এর অনেক ফজিলতের কথা বর্ণিত আছে। ১. গুনাহ মাফ: ২. রাতভর ইবাদতের সওয়াব: ৩. কোরআন তেলাওয়াত শোনার সুযোগ: পাশপাশি কোরআন তেলাওয়াতকারীর ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কোরআন তেলাওয়াত করো, কারণ কিয়ামতের দিন কোরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।( সহিহ মুসলিম: ৮০৪) ৪. আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য ও তাকওয়া অর্জন: এমএম/ |