
|
অর্থ ও উচ্চারণসহ ইফতারের দোয়া
প্রকাশ:
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:৩৬ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
|| মুহিউদ্দীন মাআয || পবিত্র রমজানের আজ প্রথম দিন। সারাদিনের সিয়াম পালন শেষে কিছুক্ষণ পরই শুরু হবে ইফতারপর্ব। শীতল পানিতে গলা ভিজিয়ে সজীবতা ফিরে পাবেন রোজাদার মুমিন। আর এই ইফতার যদি হয় সুন্নত মোতাবেক। তখন সওয়াব অর্জিত হবে দ্বিগুণ। সুতরাং ইফতারের পূর্বে দোয়ার প্রতি আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যে কোনো খাওয়া-দাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ পড়া সুন্নত। তাই ইফতারের শুরুতেও বিসমিল্লাহ বলতে হবে। খাওয়ার অন্যান্য সুন্নত ও আদব, যেমন খাওয়ার আগে হাত ধুয়ে নেওয়া, বিনয়ের সঙ্গে বসা, হেলান দিয়ে অহংকারীর মতো না বসা, ডান হাতে খাওয়া, ধীরে-সুস্থে খাওয়া, খাওয়া শেষে আল্লাহর শোকর আদায় করা, কারো মেহমান হলে তার জন্য দোয়া করা ইত্যাদিও ইফতারের সময় মনে রাখা উচিত। এ ছাড়া ইফতারের কিছু বিশেষ দোয়া রয়েছে যেগুলো নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে বা তার সাহাবিরা ইফতারের সময় পড়তেন। এখানে ২ টি দোয়া উল্লেখ করছি: ১. ইফতারের দোয়া: ইফতারের পর নবীজি (সা.) এই দোয়াটিও পড়তেন উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া ’আলা রিযকিকা আফতারতু। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার উদ্দেশ্যেই রোজা রেখেছি এবং আপনার দেয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করেছি। (সুনানে আবু দাউদ: ২৩৫৮) ২. ইফতারের দোয়া: ইফতারের পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়তেন উচ্চারণ: যাহাবায-যামাউ ওয়াব-তাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ। অর্থ: পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো আর আল্লাহ তাআলা চান তো রোজার সওয়াব লিপিবদ্ধ হলো। (সুনানে আবু দাউদ: ২৩৫৭) ইফতারের আগে ও ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়। হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, যাদের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। ওই তিন ব্যক্তির অন্যতম হলো, ইফতারের সময় দোয়াকারী রোজাদার । (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৯৮) এমএম/
|