
|
রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া
প্রকাশ:
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:২৬ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম ফরজ ইবাদত। হিজরতের দেড় বছর পর আল্লাহ তাআলা রোজা ফরজ করেন। তিনি ইরশাদ করেন— রোজা মানুষকে আল্লাহর নৈকট্যের পথে এগিয়ে দেয়, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং তাকওয়া অর্জনে সহায়তা করে। হাদিসে এসেছে, সহিহ বুখারি ও জামি আত-তিরমিজি-তে বর্ণিত— রোজার নিয়ত: কী ও কীভাবেরোজার জন্য নিয়ত করা অপরিহার্য। তবে নিয়ত মানে মুখে উচ্চারণ নয়; বরং অন্তরের দৃঢ় ইচ্ছাই হলো প্রকৃত নিয়ত। তাই রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরির জন্য জাগ্রত হওয়া ও আহার করাই নিয়তের অন্তর্ভুক্ত। কেউ যদি মুখে আরবি বাক্য না-ও পড়ে, তবুও তার রোজা আদায় হয়ে যাবে—যদি অন্তরে রোজার ইচ্ছা থাকে। ফিকাহের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে এ বক্তব্য পাওয়া যায়— প্রচলিত রোজার নিয়তবাংলাদেশে রোজার একটি আরবি নিয়ত বহুল প্রচলিত। যদিও এটি সরাসরি হাদিসে বর্ণিত নয়, তবুও কেউ চাইলে তা পাঠ করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে—নিয়ত পড়া নয়, নিয়ত করা-ই আসল কথা। আরবি নিয়ত: বাংলা উচ্চারণ: অর্থ: ইফতারের দোয়া১. ইফতারের সময় পড়ার দোয়াبِسْمِ اللهِ اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ বাংলা উচ্চারণ: অর্থ: ২. ইফতারের পরের দোয়াذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ বাংলা উচ্চারণ: অর্থ: ইফতারের ফজিলতরোজাদারের জন্য ইফতারের মুহূর্ত বিশেষ আনন্দের। হাদিসে এসেছে, জামি আত-তিরমিজি-তে বর্ণিত— এনএইচ/ |