রমজানে যে সুখবর পাচ্ছেন আমিরাতের মুসলিমরা
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৪২ সকাল
নিউজ ডেস্ক

২০০২৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানরা তুলনামূলকভাবে কম সময় রোজা রাখবেন।

ইংরেজি বা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুসারে ২০২৬ সালে রমজান মাস এগিয়ে আসায় দিন ও রাতের ব্যবধান কমে যাবে, ফলে সাম্প্রতিক বছরের দীর্ঘ গ্রীষ্মকালীন রোজার তুলনায় এবারের রোজা হবে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক।

জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান পড়বে শীতের শেষ ভাগ ও বসন্তের শুরুর সময়ে। এ সময় সূর্যোদয় দেরিতে হয় এবং সূর্যাস্ত হয় তুলনামূলক আগেই। ফলে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোজার সময়সীমা ছোট হবে।

বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরো মাসজুড়ে আমিরাতে রোজার সময়কাল থাকবে আনুমানিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার মধ্যে। যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রীষ্মকালে রোজার সময় অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টার কাছাকাছি পৌঁছেছিল।

রমজান নির্ধারিত হয় চন্দ্র বা হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, যা সৌর ক্যালেন্ডারের চেয়ে প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট। ফলে প্রতিবছর রমজান প্রায় ১০ দিন করে এগিয়ে আসে এবং ধীরে ধীরে ঋতু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।

২০২৬ সালে রমজান পড়তে পারে ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ ও মার্চের শুরুতে। এ সময় দিনের দৈর্ঘ্য গ্রীষ্মের তুলনায় কম থাকে। তবে বসন্ত বিষুবের দিকে যেতে যেতে দিনের সময় কিছুটা বাড়বে। সে কারণে মাসের শেষ দিকে রোজার সময় সামান্য দীর্ঘ হতে পারে, তবে তা গ্রীষ্মকালীন সময়ের ধারেকাছেও যাবে না।

১৪৪৭ হিজরি সনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জ্যোতির্বিদদের হিসাব বলছে, আমিরাতে রমজান শুরু হতে পারে বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে দেশটির ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদুল ফিতর হতে পারে শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬। তবে এই তারিখও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই নিশ্চিত হবে।

রমজান যত শীতের দিকে এগোচ্ছে, ততই মুসলমানদের জন্য রোজা শারীরিকভাবে কিছুটা সহজ হয়ে উঠছে। ২০২৬ সালের রমজানও তার ব্যতিক্রম নয়, দীর্ঘ দিনের পর অপেক্ষাকৃত কম সময়ের রোজায় ফিরতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ।

সূত্র : গালফ নিউজ

এনএইচ/