
|
এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রকাশ:
১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০৭ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে বিশেষ আর্থিক সুবিধা মিলবে এবং একে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে আমদানিকারকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবেন। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এলপিজি আমদানিকারকরা এখন থেকে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন বা ৯ মাস মেয়াদে বাকিতে আমদানির ঋণ সুবিধা পাবেন। সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা এলপিজি দেশে এনে সিলিন্ডারে ভরা এবং বাজারজাত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থের সংকট দূর করতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকারকরা কেবল সরবরাহকারীর কাছ থেকেই নয়, বরং বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও ‘বায়ার্স ক্রেডিট’ বা ক্রেতা ঋণ নিতে পারবেন। এছাড়া দেশের ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়া হলেও, এলপিজি খাতকে এর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এখন নতুন সার্কুলার জারি করা হলো। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, এলপিজি আমদানির পর তা বিতরণ ও ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে অনেক সময় ব্যয় হওয়ায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। এই নতুন সুবিধা সেই চাপ কমিয়ে এলপিজি আমদানিতে গতি আনবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে। তবে এই সব সুবিধার ক্ষেত্রে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণের সতর্কতামূলক নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সাধারণ গ্রাহকদের জন্য রান্নার গ্যাসের সংকট দূর হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার সাথে সমন্বয় করা আমদানিকারকদের জন্য আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরএইচ/ |