
|
লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন
প্রকাশ:
০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:২৩ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
লন্ডনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাসের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কে একটি ‘গভীর মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত। পশ্চিম লন্ডনে ব্রিটেনে ফিলিস্তিন মিশন হিসেবে পরিচিত অফিসের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলত বলেন, ‘আমরা আজ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী—যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস উদ্বোধন করছি, পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা ও সুবিধাসহ।’ যুক্তরাজ্য ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মিশনটি দূতাবাসে উন্নীত হলো। সে সময় অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশ একই পদক্ষেপ নেয়, যখন গাজায় মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তুঙ্গে ছিল। কালো-সাদা কেফিয়াহ স্কার্ফ পরিহিত জোমলত বলেন, এটি ‘শুধু নামের পরিবর্তন নয়’, বরং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে ‘দিক পরিবর্তন’। তিনি আরো বলেন, ‘নতুন বছর আমরা কী অসাধারণভাবে শুরু করছি—ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কে এক গভীর মাইলফলক এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘ যাত্রায় এক অধ্যায়। এটি আশার দিন, দৃঢ়তার দিন এবং এমন এক দিন, যা বিশ্বকে মনে করিয়ে দেয় যে শান্তি শুধু সম্ভবই নয়, এটি অনিবার্য… যখন তা ন্যায়, মর্যাদা, সমতা ও পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।’ এরপর তিনি দূতাবাসের নতুন ফলক উন্মোচন করেন। তবে যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিজেদের দূতাবাস খোলার পরিকল্পনা করছে কি না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি। ফিলিস্তিনি ও ব্রিটিশ পতাকা-সংবলিত মঞ্চে জোমলতের পর বক্তব্য দিতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক প্রতিনিধি অ্যালিস্টার হ্যারিসন এই ঘটনাকে ‘আশার মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আপনারা এখানে—এখন যে জায়গাটি আপনাদের দূতাবাস—একটি সুখকর সময় কাটান, এ কামনা করছি।
|