
|
হাসিমুখে কথা বলার ফজিলত-সওয়াব
প্রকাশ:
০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৩৯ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
মানবজীবনের প্রতিটি কাজেই রয়েছে কল্যাণ ও সওয়াব। ইসলামে হাসিমুখে কথা বলাও সওয়াবের কাজ। মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ ও হাসিমুখে কথা বলা শুধু সৌজন্যের বিষয় নয়; বরং এটি পারিবারিক শান্তি, সামাজিক বন্ধন, এবং সহমর্মিতার একটি শক্তিশালী নিয়ামক। ইসলামে এটি সুন্নত হিসেবেও পরিচিত। সামান্য একচিলতে হাসি মানুষকে জয় করার সহজ উপায় এবং সম্পর্ককে মজবুত করে তোলে। রাসূল (সা.) আরো বলেছেন, ‘তোমার সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজ থেকে বিরত রাখার নির্দেশ, পথহারা ব্যক্তিকে সঠিক পথ দেখানো, বা পথ থেকে কাঁটা, পাথর, কিংবা অন্য প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দেওয়া—এসব কাজও সদকার অন্তর্ভুক্ত।’ হাসিমুখে কথা বলার মাধ্যমে যেমন মানুষের মধ্যে খুশির অনুভূতি তৈরি হয়, তেমনি এটি একটি সম্পর্ককে মজবুত করে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘ধনসম্পদ দান করে মানুষকে ততটা খুশি করা যায় না, যতটা মুখমণ্ডলের প্রসন্নতা ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে করা যায়।’ (বুলুগুল মারাম, ১৫৩৪) রাসূল (সা.)-এর উদাহরণ হজরত জারির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর কখনো রাসূল (সা.) আমাকে তার কাছে যেতে বাধা দেননি। বরং যখনই তিনি আমার দিকে তাকাতেন, তখনই তিনি মুচকি হাসতেন।’ (বুখারি, ৩০৩৫) হাসিমুখ শুধু একটি সহজ অভ্যাস নয়, এটি সামাজিক বন্ধন সৃষ্টির একটি কার্যকরী মাধ্যম। পরিবার, সমাজ, এবং মানবিকতার উন্নয়নে হাসির ভূমিকা অপরিহার্য। সুতরাং, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে হাসিমুখের গুরুত্বকে উপলব্ধি করা এবং এটি চর্চা করা মানবিকতার একটি পবিত্র নিদর্শন। এক চিলতে হাসি মানুষকে জয় করার সহজ ও কার্যকর উপায়, যা আমাদের সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় করতে সহায়তা করে। এনএইচ/ |