' স্বস্তির বাতাসে অস্বস্তি ছড়াচ্ছে কিছু চ্যালেঞ্জ ' যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক রাজনীতিতে উত্তেজনা প্রশমিত করলেও, এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি।

সংস্কার ও বিচার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হলেও এ সরকারের সময়ে বিগত ১০ মাসে যেভাবে কাজ হওয়া দরকার ছিল, সেভাবে গতি পায়নি।

বিএনপির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বোঝাপড়া হলেও জামায়াত ও এনসিপি কিছুটা দূরত্বে আছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এছাড়া ভোটের রাজনীতি নিয়ে তাদের নিজস্ব এজেন্ডাও রয়েছে।

এদিকে লন্ডন বৈঠকে বেশ স্বস্তির আভাস মিললেও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ইশরাক হোসেনের সমর্থকদের আন্দোলন অস্বস্তি ছড়াচ্ছে।

এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের শায়েস্তা করতে বিতর্কিত অধ্যাদেশ নিয়ে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত।

সচিবালয়ে কর্মচারী আন্দোলনের এমন দৃশ্য অতীতে কেউ দেখেনি। এনবিআর অধ্যাদেশ বিতর্কও রয়ে গেছে সেই তিমিরে।

যুগান্তর

' মোসাদ কেন্দ্রে ইরানের আঘাত ' নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম।

ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে টানা পঞ্চম দিনের মতো পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠছে তেহরান ও তেলআবিবসহ দেশ দু'টির বিভিন্ন অঞ্চল।

ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলের মাটিতে সবচেয়ে বড় এবং তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে।

এদিকে ইরানের যুদ্ধকালীন চিফ অব স্টাফকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। রয়টার্স, বিবিসি ও আলজাজিরার বরাতে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

ইরানের অভিজাত ইসলামিক রেভুল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, তারা ইসরাইলে একটি সামরিক গোয়েন্দা সেন্টার ও মোসাদের একটি অপারেশন পরিকল্পনা কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করেছে আইআরজিসি।

এর আগে ইসরাইলি গণমাধ্যমে বলা হয়, ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলের শহর হার্জলিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

উপকূলীয় শহরটিতে অবস্থিত একটি 'স্পর্শকাতর' স্থান নিশানা করা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

নয়া দিগন্ত

'দেশে ফিরছেন তারেক গুলশানে বাড়ি প্রস্তুত' দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে শিগগিরই দেশে ফিরতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গুলশান - ২ এর অ্যাভিনিউ রোডের ১৯৬ নম্বর ডুপ্লেক্স বাড়িতে তার থাকার সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত এই ছায়াঘেরা বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মালিকানাধীন, যা সম্প্রতি তারেক রহমানের নামে নামজারি করা হয়।

এই বাড়িটি এক সময় ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করত ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ, তবে ছয় মাস আগে কোম্পানিটি তা ছেড়ে দেয়।

এরপর থেকে বাড়িটির অভ্যন্তর ও বাহ্যিক পরিবেশ তারেক রহমানের থাকার উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।

ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, বাড়ির সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়েছে এবং এটি এখন পুরোপুরি বসবাসযোগ্য।

 দেশ রূপান্তর

' বৈঠক বয়কট জামায়াতের নানা আলোচনা ' মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতায় ইরান ও ইসরায়েলের হামলার খবরের পাশাপাশি এ খবরটিও গুরুত্ব পেয়েছে।

লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূস ও বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক পরবর্তীতে যৌথ বিবৃতি নিয়ে মনঃক্ষুণ্ন জামায়াত।

যার প্রতিক্রিয়ায় গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক বয়কট করে দলটি। তবে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে জামায়াত অংশ নিবে বলে জানিয়েছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের অসমাপ্ত আলোচনার অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলো বৈঠকে অংশ নিলেও অনুপস্থিত থাকে জামায়াতে ইসলামী।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, " লন্ডনের বৈঠকের বিষয়ে আমাদের আপত্তি নেই। তবে দেশের জাতীয় রাজনীতির যে কালচার তার ব্যত্যয় ঘটেছে বৈঠক পরবর্তী যৌথ বিবৃতিতে, আমাদের আপত্তিটা সেখানেই।"

" কারণ কোনো দু'টি দেশ অথবা সরকার প্রধানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পরই যৌথ বিবৃতি হতে পারে। একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা কিংবা মতবিনিময়ে যৌথ বিবৃতি হতে পারে না। এতে প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করে জামায়াত " বলেন মি. রহমান।

মানবজমিন

' চূড়ায় উঠছে সংঘাত, বাড়ছে ধ্বংসযজ্ঞ ' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত ক্রমে তীব্রতর হচ্ছে। প্রতিদিন অব্যাহতভাবে দুই পক্ষ একে অপরের ওপর জোরালো হামলা চালাচ্ছে।

বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দু'পক্ষের ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টি ফুটে উঠছে।

এতদিন ইরানকে চুক্তিতে আসার আহ্বান জানালেও গতকাল মঙ্গলবার তেহরানকে 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ' করার দাবি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জি ৭ জোটের নেতারাও ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে ইরানকে দায়ী করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর পরিবর্তে পশ্চিমা নেতারা যেন 'আগুনে ঘি ঢালছেন' বলে উল্লেখ করা হয়েছে এ খবরে।

গতকাল সংঘাতের পঞ্চম দিনে তেল আভিভে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিকল্পনা কেন্দ্রে হামলার দাবি করেছে ইরান।

হামলা হয়েছে আরও কয়েকটি এলাকায়। ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের হামলায় একটি বাসে আগুন ধরে যায়।

অন্যদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন অংশে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার সাদমানিকে হত্যারও দাবি করা হচ্ছে।

সমকাল
 ' ধ্বংসযজ্ঞে অনড় ইরান - ইসরায়েল ' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

বেশিরভাগ পত্রিকার প্রথম পাতায় আজ ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলার খবর প্রকাশ পেয়েছে।

এ খবরে বলা হয়েছে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত গতকাল মঙ্গলবার টানা পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির পরও কোনো পক্ষেরই পিছু হটার লক্ষণ নেই। আকাশ, ভূমি ও সাইবারজগতে চলছে পূর্ণ মাত্রায় হামলা।

তেহরান ও তেল আভিভে গতকাল মঙ্গলবারও পাল্টাপাল্টি হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলে মোসাদের সদর দপ্তরে হামলার দাবি করেছে ইরান।

অন্যদিকে ইরানের খামেনির ঘনিষ্ঠ আরো একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

এছাড়া তেহরানের বাসিন্দাদের যত দ্রুত সম্ভব শহর ছাড়তে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নতুন করে ইসরায়েলি হামলার খবরে দলে দলে তেহরান ছাড়ছে বাসিন্দারা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'অবিলম্বে তেহরান ফাঁকা' করার হুঁশিয়ারিতে গতকাল সেখানকার নাগরিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

কালের কণ্ঠ

ইচ্ছাকৃত খেলাপি নয়, এমন বড় ঋণ পুনর্গঠনে (পুনঃতফসিল) একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ৩০শে জানুয়ারি গঠন করা এ কমিটির কাছে হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কিন্তু যাচাই-বাছাই শেষে এখন পর্যন্ত কোনো আবেদনই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

এতে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ না কমে উল্টো বাড়ছে। অন্যদিকে খেলাপি হয়ে যাওয়া উদ্যোক্তাদের বিপর্যয়ও গভীর হচ্ছে।

৫০ কোটি বা তার বেশি অংকের খেলাপি ঋণ পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে জানুয়ারিতে পাঁচ সদস্যের ওই কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

নথিপত্রের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত কমিটির কাছে এক হাজার ২৫৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

এর মধ্যে পর্যালোচনা শেষে আবেদন বাছাই করা হয়েছে ৫৬টি।

ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (এনবিএফআই) এসব আবেদন চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার কথা।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এখন পর্যন্ত কোনো আবেদনেরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি à¦