fbpx
           
       
           
       
আসন্ন ছুটি যেভাবে কাজে লাগাতে পারেন সাহিত্যমনা কওমি তরুণরা
সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২ ২:৩৬ অপরাহ্ণ

|| কাউসার লাবীব ||

শেষ হচ্ছে দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। দীর্ঘ একসপ্তাহের ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরবে শিক্ষার্থীরা। মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এই অবসরকে কিভাবে কাজে লাগাবে? এই ছুটিতে সাহিত্য মনা কওমি তরুণরা নিজের সময়গুলোকে কিভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন? এ বিষয়ে কথা বলেছিলাম লেখক, অনুবাদক  ও আলেম সাংবাদিক জহির উদ্দিন বাবরের সঙ্গে।

তিনি বলেন, প্রতি পরীক্ষার পর একটি ছুটি পান কওমি মাদরাসাপড়ুয়ারা। যারা লেখালেখি ও শিল্প-সাহিত্য চর্চা করতে চান তাদের জন্য এটি সুবর্ণ সুযোগ। এটি কাজে লাগাতে পারলে লক্ষ্যে পৌঁছা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

তার মতে, ছুটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লেখালেখি ও সাংবাদিকতাসংক্রানত্ নানা  আয়োজন করা হয়। মাদরাসাপড়ুয়ারা চাইলে সুবিধামতো সেগুলোতে অংশ নিতে পারেন। এসব আয়োজন লেখক-সাংবাদিক তৈরি করে দেয় না বটে, তবে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করে এবং পথচলতে সহায়ক হয়।

‘কোনো কোর্সে অংশ না নিয়েও এই সময়টুকু কাজে লাগানো সম্ভব। যেহেতু তখন একাডেমিক পড়াশোনার চাপ থাকে না এজন্য সৃজনশীল বইপত্র পাঠের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। নির্বাচিত বইগুলো এই ছুটিতে পড়ে শেষ করা যায়। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিয়ে বইপত্র নির্বাচন করলে ভালো হয়’- বলেন, জহির উদ্দিন বাবর।

তার পরামর্শ ‘যারা লেখালেখিতে একদম নতুন তাদের জন্য প্রতিদিন ডায়েরি লেখা, কিছু লেখার চেষ্টা করা জরুরি। তারা সারা বছরের অনুশীলনটা এই সময়ে সেরে নিতে পারেন। যারা লেখালেখিতে মোটামুটি অভ্যস্ত তাদের জন্য উচিত এই সময়টুকু পুরোপুরি কাজে লাগানো। আগে থেকে পরিকল্পনা করে সময়টুকু কাজে লাগালে আশা করি অনেক উপকার তারা পাবেন।’

এদিকে এ বিষয়ে কথা বলেছেন কবি হাসান রোবায়েত। তিনি  নবীন লেখিয়েদের বলেন, সাহিত্য চর্চার জন্য প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকতে হয়। সাহিত্য হলো সাধনা ও চর্চার বিষয়। সাধনা, চর্চা একমাস, দুইমাস করলে হয় না। লাগাতার করতে হয়। ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়। কওমি মাদরাসার সাময়িক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। সামনে তাদের বন্ধ। এই সময়ে লেখিয়ে শিক্ষার্থীরা পছন্দের লেখকের বই পড়তে পারে। হাতের কাছে যা পাবে তাই পড়া উচিৎ। যারা একদম নতুন তাদের বাছাই করে না পড়াই ভালো। পড়তে পড়তে এক সময় নিজেরাই বুঝতে পারবে কী কী পড়া উচিৎ।

তার মতে , লেখার জন্য আসলে মানুষ, পরিবেশ, সমাজকে অবর্জাভ করতে হবে। খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে হবে। বিশ্লেষণ করতে হবে। লেখায় এগুলোই মূল উপাদান। তাই মানুষ, পরিবেশ, সমাজকে অবর্জাভ করতে পারতে হবে। অবর্জাভ করতে হবে পাশাপাশি লেখতে হবে। লেখায় সেটা ফুটিয়ে তুলতে হবে।

কেএল/

সর্বশেষ সব সংবাদ