রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ ।। ৯ আষাঢ় ১৪৩১ ।। ১৭ জিলহজ ১৪৪৫

শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে তেল আবিবে ফের বিক্ষোভ দায়িত্ব নিলেন নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তিস্তা নিয়ে চীনের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্র মন্ত্রী  ছাগলকাণ্ডে ভাইরাল মতিউরকে এনবিআর থেকে বদলি এবার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় যুক্ত হলো কিউবা ৫৩০ হজযাত্রীর মৃত্যু, ১৬ ট্যুরিজম কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করলো মিশর সালথায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস’র কমিটি গঠন ও যোগদান সভা ইয়েমেনে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান ওমরার ভিসা নিয়ে সৌদির দারুণ সুখবর হবিগঞ্জে ওয়াফার উদ্যোগে দাওয়াহ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত 

এখন মনে হচ্ছে ‘ফেসবুক’ চরম অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| ইমতিয়াজ মাসরুর ||

এখন মনে হচ্ছে 'ফেসবুক' চরম অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কোন কিছু অনুসন্ধান বা যাচাই-বাছাই না করে হঠাৎ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা, সম্মানিত ব্যক্তিদের সামান্য ভুল নজরে আসার সাথে সাথে তাদের নিয়ে মূর্খতা সুলভ সমালোচনা করা । এধরনের বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক অসুস্থ কর্মকান্ডের মহড়া চলছে এই ফেসবুকে।

ড. মুহাম্মদ সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘ধর্মের দুটো উপাদান রয়েছে। এক. বিশ্বাস। দুই.হুজুগ।’

এখন আমরা যারা নিজেদেরকে ধার্মিক হিসেবে পরিচয় দিই তাদের ভেবে দেখা উচিৎ,আমাদের ফেসবুকীয় কর্মকাণ্ড ধর্মবিশ্বাসের উপাদান থেকে সৃষ্ট না হুজুগের বহিঃপ্রকাশ?

মিডিয়া কোন ব্যক্তির মর্যাদার মানদণ্ড হতে পারে না। কিন্তু বর্তমানে এই হুজুগে পড়া কিবোর্ড যোদ্ধারা এটাকেই মানদণ্ড বিচার করছে। তাদের কারণে সোসাল মিডিয়ায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে একধরনের জনমত তৈরি হচ্ছে। আর এই হুজুগে সৃষ্ট জনমতটাই হলো সোশ্যাল মিডিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর দিক। এজন্য facebook কে আমি social media বলি না, এটা এখন unsocial মিডিয়া।

জনগণকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু জনমতকে নয়। কারণ জনগণকে যা খাওয়ানো হয় সেটাই সে প্রসব করে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ