fbpx
           
       
           
       
বিশ্বনবির সা. প্রতি বিশ্ববাসীর ভালবাসা
জুন ২২, ২০২২ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

মাওলানা এরফান শাহ্ সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য, যিনি আমাদেরকে সত্য ধর্ম ইসলামের দৌলত দান করেছেন। সালাতু সালাম বর্ষিত হোক মহান আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত দূত বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর পরে যার সম্মান, মর্যাদা ও স্থান তিনিই হচ্ছেন আমার প্রিয় নবীজী সা.।

তিনি জগতবাসীর জন্য রহমত। মানব জাতির পথ প্রদর্শক। শান্তি ও মুক্তির দূত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক নিজেই উনার প্রশংসা করেছেন। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, “আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী”। “আপনার মর্যাদা সুমহান”। মুমিনগণ নবীকে প্রাণের চেয়েও অধিক ভালবাসেন”। তিনি মহা মানব। তিনি সর্বশ্রেষ্ট নবী। তিনি সর্বশেষ নবী।

উনার কোন তুলনা হয় না। যারা আমার প্রিয় নবীজীর সা. সাথে অন্যকারো তুলনা করে নবীজীর সা. শান-মান ও শ্রেষ্টত্ব প্রমাণ করতে চান তাদেরকে সবিনয়ে বলতে চাই, অন্যকারো সাথে প্রিয় নবীজীর সা. তুলনা চলে না। এটিই প্রতিটি মু’মিনের ঈমান, বিশ্বাস, আবেগ ও ভালবাসা।

এক পারস্য কবি বলেন, “মুহাম্মদ সা. কখনো কিছু বলতেন না, যতক্ষন জিবরাইল আ. না বলতেন আর জিবরাইল আ. কখনো কিছু বলতেন না, যতক্ষণ স্বয়ং আল্লাহপাক না বলতেন”।

হাদিসে এসেছে, বিয়ের আগে নবীজী সা. আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. কে স্বপ্নে দেখেছেন। নবীজী সা. কে জিবরাইল আ. আম্মাজান আয়েশার রা. প্রতিচ্ছবি দেখিয়ে বলেন, ইনি হবেন আপনার স্ত্রী। উল্লেখ্য, নবীগণের স্বপ্নও ওহি। সুতরাং, এ কথা নির্দ্ধিধায় বলা যায় স্বয়ং আল্লাহ পাকের ইশারায় নবীজীর সা. সাথে উম্মুল মু’মিনিন আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকার রা. নিকাহ সম্পন্ন হয়েছে।

অতএব, রাম ও সিতা তথা দুনিয়ার কোন পন্ডিত কত বছর বয়সে বিয়ে করেছেন, সেই রেফারেন্স টেনে আমার প্রিয় নবীজীর সা. সাথে তুলনা করা অবান্তর নয় কী? একজন পচিঁশ বছরের অবিবাহিত যুবক চল্লিশ বছরের একজন মুতাল্লাকা মহিলাকে বিয়ে করার নজির পৃথিবীর কোথাও আছে কী? অথচ, মানবতার নবীর এসব বিষয়ে ইসলাম বিদ্বেষীরা অন্ধ! দুই হাজারের বেশি হাদিস আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে। এখানে নিশ্চয় উম্মতের শিক্ষা ও কল্যাণ নিহীত আছে।

নবীজীর সা. নিকাহ মোবারক নিয়ে তখনকার কাফের, মুশরিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরাও কোনো আপত্তি তোলেনি। এক কথায় তখনকার সময়ে আরবে এ ধরনের বিয়ের প্রচলন ছিল। এখন চৌদ্দশত বছর পরে এসে তথাকথিত মুখপাত্র কুলাঙ্গার, সময়ের দাজ্জাল নূপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দাল আমার প্রিয় নবীজীর সা. শাদী মোবারক নিয়ে আঙ্গুল তোলার কে?

এ ধরনের কটুক্তি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য নিঃসন্দেহে অজ্ঞতা ও বিদ্বেষপ্রসূত! নবীজীর সা. শানে বেয়াদবী! বিশ্বের দু’শত কোটি মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে! আমরা এই ধৃষ্টতার প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।

জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ে মহান বিধাতার নিয়ন্ত্রিত মহিমা। কে, কখন, কোথায় জন্ম গ্রহণ করবে? কখন, কোথায় কীভাবে মৃত্যুবরণ করবে? কখন বয়ঃসন্ধিতে পৌছবেঁ তা কারো ইচ্ছাধীন নয়।

এটি একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা, সৃষ্টিকর্তা তথা বিধাতার বিধান তারই নিয়ন্ত্রাধীন ও ইচ্ছাধীন। অতএব, যে বিষয়টি মানুষের নিয়ন্ত্রাধীন নয় তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত? কোন ব্যক্তি কী তার জন্ম ও মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করতে পারে? এই শক্তি ও অধিকার কী কারো আছে? আল্লাহপাক জন্মের অনেক আগেই মৃত্যু নির্ধারণ করে রেখেছেন। জন্মের আগেই তার সঙ্গিনী নির্ধারণ করে রেখেছেন। এগুলো মহান রব তথা সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি ও মহিমা। এটিই প্রতিটি মু’মিনের বিশ্বাস। অতএব, এখতিয়ার বর্হিভূত বিষয় নিয়ে মাতামাতি অনাধিকার চর্চা, বিধাতার বিধানকে চ্যালেঞ্জ এবং বাস্তবতাকে অস্বীকার করার নামান্তর!

ঈমান মু’মিনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। আর এই ঈমান যার ভাগ্যে নসীব হয়, দুনিয়ার সমস্ত দুঃখ-কষ্ট তার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। নবীজীর সা. ভালবাসা ঈমান ও আমলে উৎকর্ষতা লাভের অন্যতম পাথেয় এবং আখিরাতে সাফল্য অর্জনের সম্বল। প্রতিটি মু’মিনের লক্ষ্য হচ্ছে আখিরাতে নবীজীর সা. শাফাআত ও সঙ্গলাভ।

নবীজী সা. বলেন, “ব্যক্তি যাকে ভালবাসে তার সাথেই হাশর হবে”-সহিহ মুসলিম;২৬৪০। মহব্বতের কারণে সকল তিক্ততা মিষ্টে পরিণত হয়। আর মিষ্টতার স্বাদ সেই পায় যার নিকট আল্লাহ ও তার রাসূলের ভালবাসা সমস্ত কিছুর ঊর্ধ্বে থাকে। নবীজী সা. বলেন, “তিনটি গুণের অধিকারী ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করবে।

তন্মধ্যে প্রথম গুণ হল; যার কাছে মহান আল্লাহ তায়াল ও তার রাসূল সা. সবচেয়ে প্রিয় হবেন। দ্বিতীয় গুণ হল; আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা আর আল্লাহর ওয়াস্তে শত্রুতা। তৃতীয় গুণ হল; ঈমানের দৌলত লাভের পর কুফুরীতে ফিরে যাওয়াকে এমনভাবে অপছন্দ করা যেমনিভাবে ব্যক্তি জ্বলন্ত আগুণে নিক্ষেপ হওয়াকে অপছন্দ করে” – সহিহ মুসলিম।

নবীজীর সা. ভালবাসা প্রসঙ্গে হাদিসে একটি চমৎকার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এক সাহাবী রাসূল সা. কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সা. কিয়ামত কবে হবে? নবীজী সা. পাল্টা প্রশ্ন করলেন, কিয়ামতের জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সাহাবী জবাব দিলেন মহান আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসূলের সা. ভালবাসা। তখন নবীজী সা. বললেন, “নিশ্চয় যাকে তুমি ভালবাস কিয়ামতের দিন তার সাথেই থাকবে”। আনাস রা. বলেন, “ইসলাম গ্রহণের পর আমাদের কাছে সবচেয়ে খুশির বিষয় ছিল নবীজীর সা. এই কথা; “নিশ্চয় তুমি যাকে ভালবাস কিয়ামতের দিন তার সাথেই থাকবে”।

আর আমি মহান আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসূল সা.কে ভালবাসি সাথে আবু বকর ও ওমর(রা.) কেও। তাই আশা রাখি আখিরাতে আমি তাদের সাথেই থাকব। যদিও তাদেরমত আমল আমি করতে পারিনি”-সহিহ মুসলিম;২৬৩৯।

হুব্বে রাসূল সা. ঈমানের রূহ। মু’মিনের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। নবীজীর সা. ইশক ও মহব্বত ছাড়া ঈমানের পূর্ণতা আসে না। নিছক ভালবাসায় যথেষ্ট নয় বরং পার্থিব সমস্ত কিছুর ওপর এই ভালবাসাকে প্রাধান্য দিতে হবে। আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম থেকে বর্ণিত, “একদিন আমরা নবীজীর সা. সাথে ছিলাম।

নবীজী সা. ওমরের(রা.) হাত ধরা ছিলেন। ওমর(রা.) বলে উঠলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সা.! আপনি আমার কাছে সব থেকে প্রিয় তবে আমার প্রাণ ব্যতিত। তখন নবীজী সা. বললেন, না ওমর হল না। যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তার কসম! ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি পূর্ণাঙ্গ মু’মিন হতে পারবে না যতক্ষণ না আমি তোমার কাছে তোমার প্রাণের চেয়েও প্রিয় না হই।

পরক্ষণেই ওমর রা. বললেন, আল্লাহর কসম নবীজী সা. এখন থেকে আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তখন নবীজী সা. বলেন, হ্যাঁ ওমর এখন হয়েছে” – সহিহ বুখারী; ৬৬৩২। আল্লাহ ও রাসূলের ভালবাসা যদি সবকিছুর উপরে না হয় তাহলে মু’মিন পথ চলবে কীভাবে? আজ বাধাঁ হবে সন্তান। কাল স্ত্রী।

পরশু পিতা-মাতা। কখনো রাজনৈতিক দল। কখনো নেতা-কর্মী। কখনো ক্ষমতা। কখনো সম্পদের মায়া। কখনো জীবনের মায়া। আর মু’মিনতো হল সেই; যে আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসূলের সা. মহব্বতে সবকিছু বির্সজন দিতে প্রস্তুত। উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, রাসূল সা. এক নারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন; যার স্বামী ও ভাই উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।

লোকেরা যখন তাকে সমবেদনা জানাতে গেল তখন তিনি জানতে চাইলেন নবীজী সা. কেমন আছেন? তারা বলল, নবীজী সা. ভালো আছেন, আলহামদুলিল্লাহ। তাতেও তার মন শান্ত হল না। বললেন তবুও আমি নিজে দেখতে চাই। অতপর যখন নবীজী সা.কে দেখানো হল তখন শান্ত হলেন এবং বললেন, আল্লাহর রাসূল সা. আপনি নিরাপদে আছেন। আপনার নিরাপত্তার পরে সমস্ত বিপদ তুচ্ছ-সীরাতে ইবনে হিশাম।

বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হওয়া সত্তেও ভারতের মুসলিম বিদ্বেষী ভূমিকায় বাংলাদেশ সরকারের নীরবতা ও মৌন সর্মথণ মুসলিম বিশ্ব ও স্বীয় নাগরিকদের কাছে প্রিয় মাতৃভূমির অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে!

বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বের অনন্য উচ্চতার দাবীদারদের বাস্তবে নেই কোন সৌজন্যতাবোধ ও দায়িত্ববোধ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পান থেকে চুন কষলে বন্ধুরাষ্ট্রকে জবাবদীহি করতে হয়। আর এখন দাদা বাবুরা বিশ্বমুসলমানের হৃদয়ে কুঠারাঘাত করছে! সেখানে প্রতিবাদী নবীপ্রেমিকদের বাড়ী-ঘর গুড়িয়ে দিচ্ছে! গ্রেফতার-নির্যাতন করছে! যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে ৫৬টি প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে। অথচ, বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশ সরকার নির্বিকার!

মনেহয় মেরুদন্ডহীন সরকারের নেই কোন দায়-দায়িত্ব। বিশ্বমুসলমানের হৃদয়ের স্পন্দন; সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মহামানব, সর্বশেষনবী, বিশ্বনবী সা. এবং উনার পবিত্র স্ত্রী আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা(রা.) সর্ম্পকে বিজেপির রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র অপদার্থ নূপুর শর্মা ও দিল্লীর মিডিয়া ইন চার্জ নবীন কুমার জিন্দালের অবমাননাকর মন্তব্যে প্রতিটি ঈমানদারের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে! মনে মনে, ঘরে ঘরে, গ্রামে গ্রামে, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা বিশ্বে প্রতিবাদ; মিছিল-মিটিং ও নিন্দা জানানো হচ্ছে। অথচ, আমার দেশের সরকার ও সম্মানিত সংসদ সদস্যগণ সংসদে এখনো নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন!

সরকারের দায়িত্বশীলরা নবীপ্রেমিকদের সবক দিচ্ছেন; এটি নাকি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়! দায়িত্বশীলদের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, নবীজী সা. কী শুধুমাত্র ভারতের মুসলমানদের নবী নাকি বিশ্বমুসলমানের নবী? তারা আরো সবক দিচ্ছেন; মিছিল-মিটিং, নিন্দা ও প্রতিবাদ থেকে বিরত থাকতে।

পরিতাপের বিষয় আরেকটি গোষ্ঠী নাকি বয়কট, নিন্দা ও প্রতিবাদের দলিল খুজেঁ পাচ্ছেন না। তাদের শায়খ আক্রান্ত হলে প্রতিবাদে সমাবেশ, মানববন্ধন ও মিছিল-মিটিং জায়েজ পক্ষান্তরে নবীজীর সা. শানে কটুক্তির প্রতিবাদে সমাবেশ, মানববন্ধন ও মিছিল-মিটিং নাকি নাজায়েজ? এ হচ্ছে তাদের নবীপ্রেমের নমূনা!

আল-কুরআনে আল্লাহপাক বলেন, “আল্লাহর পথে যে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা স্পর্শ করে, তাদের এমন প্রতিবাদ ও কর্মসূচী যা কাফেরদের ক্রোধের কারণ হয় আর শত্রুদের থেকে তারা যা কিছু প্রাপ্ত হয় এর প্রত্যেকটির বিনিময়ে তাদের জন্য নেক আমল লিপিবদ্ধ হয়”- সূরা আত-তাওবা;১২০। প্রিয় নবীজীর সা. হাদিস আজ সারা বিশ্বে ভাইরাল শ্লোগান “মান সাব্বা নাবিয়্য়ান; ফাকতুলুহু”।

পিতা-মাতাকে গালি দিলে সন্তানের সহ্য হয় না। ছেলে-মেয়েকে কটাক্ষ করলে মা-বাবা বরদাশত করে না। বঙ্গবন্ধু, সভানেত্রী, দেশনেত্রী ও পল্লীবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি করলে দলীয় নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদে রাজপথে বেরিয়ে আসে। নেতা-নেত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও নিজ প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয় আমার প্রাণপ্রিয় নবীজী সা.কে নিয়ে কুলাঙ্গাররা অবমাননাকর মন্তব্য করবে আর মুসলমানরা চুপচাপ নীরব ঘরে বসে থাকবে তাতো ঈমানদারের পরিচয় বহন করে না। কথায় বলে, “রণে আর প্রেমে বিধি-নিষেধ মানে না”।

বিশ্বনবীর সা. প্রেমে সারা বিশ্ব আজ উজ্জীবিত ও উদ্ভাসিত। ভালবাসা ও নবীপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ এই প্রতিবাদ; মিছিল-মিটিং, বয়কট, বক্তৃতা-বিবৃতি, লেখনী ও শানে রেসালত সম্মেলন।

মহান রবের দরবারে ফরিয়াদ করি, বিশ্বব্যাপী মুসলমানের এই প্রতিবাদ ও নজরানা কবুল করুন। এই নবীপ্রেমের উছিলায় হাশরের মাঠে নবীজীর সা. শাফাআত এবং হাওজে কাওসারের পানি নবীপ্রেমিকদের নসিব করুন- আমিন। দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা মহান সংসদে এমন নবীপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল প্রতিনিধি প্রেরণ করেছি যারা বিশ্বমুসলমানের হৃদয়ের ভাষা বুঝেন না এবং নিজ দেশের জনগণের মুখের ভাষা শুনেন না। তবে বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, নবীজীর সা. শানে কটুক্তির প্রতিবাদে মু’মিনের হৃদয়ে নবীপ্রেমের অমোঘ শক্তি বিভক্ত মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

-এটি