fbpx
           
       
           
       
স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
মে ১৯, ২০২২ ৯:৫১ অপরাহ্ণ

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সফলভাবে কোভিড মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিশ্বব্যাংক প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দেন তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্ধারিত এজেন্ডার বাইরেও নানা বিষয়ে কথা হয়।

সভার বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোভিড নিয়ে কিছুটা আলোচনা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে রিসেন্টলি বাংলাদেশের বিষয়ে একটি রিভিউ হয়েছে। এখানে খুবই ভালো রেসপন্স এবং দে আর ভেরি হ্যাপি। এজন্য তারা বাংলাদেশকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, এটা ৯শ ৪৫ মিলিয়ন ডলার তারা এ্যালোকেট (বরাদ্দ) করেছে। তারা বাংলাদেশের কোভিড কার্যক্রমের জন্য খুবই সন্তুষ্ট। বিশেষ করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য।’

‘আমরা তো নিজেরাই প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বা অন্যান্য সহায়তা সরকার দিয়েছে। এর বাইরেও প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। এত বড় একটি জনগোষ্ঠিকে যে ভ্যাক্সিনেটেড করা গিয়েছে এটা ওয়ার্ল্ড ওয়াড খুব অ্যাপ্রিসিয়েটেড হয়েছে।’-বলেন খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘এই টাকা বিশ্বব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে। আমাদের নেক্সট ইয়ারের প্রোগ্রাম ক্যারি আউট করার জন্য এই ডলার অ্যালোকেট করা হয়েছে।

‘আমাদের যে এক্সপেরিয়েন্সটা সেটা সারা পৃথিবীতে প্রচার করতে চায়। যেহতু আমাদের প্রাইমারি হেলথ সিস্টেম খুব স্ট্রং, ইপিআই কার্যক্রম, এটা আপনারা জানেন। জাপানেও একটি বড় পত্রিকায় এটা নিয়ে বড় করে রিপোর্টিং হয়েছে। তারাও রিকোমেন্ড করেছে, বাংলাদেশের মডেলটা নিয়ে অন্য জায়গাগুলোতে ব্যবহার করা যায়।’-বলেন খন্দকার আনোয়ারুল।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘ইনিসিয়ালি অনেকের মধ্যে একটা আনসার্টেইনিটি ছিল। এজন্য বাংলাদেশ সরকার যখন অ্যাস্ট্রেজেনেকার জন্য পে করে তখন অনেকেই এটা নেগেটিভভাবে নিয়েছে। তখনও কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যাস্ট্রেজেনেকাকে অনুমোদন দেয়নি। তখন বাংলাদেশ কিন্তু চুক্তি করে ফেলেছে। এবং কোভেক্স থেকে আমরা ব্যাপক একটি সহায়তা পেয়েছি। এটা মোর দেন ২০ হাজার কোটি টাকা।

এনটি