fbpx
           
       
           
       
২০২১ সালে বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলিমদের মধ্যে সেরা দশে রয়েছেন যারা
জানুয়ারি ০৪, ২০২২ ২:২৬ অপরাহ্ণ

কাউসার লাবীব
বার্তা সম্পাদক

আম্মানে অবস্থিত দ্যা রয়েল ইসলামিক ষ্ট্র্যাটেজিক ষ্টাডিজ সেন্টার নামক প্রতিষ্ঠান প্রতি বছরই বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকা তৈরী করে। মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্স আল ওয়ালিদ বিন তালাল সেন্টার ফর মুসলিম- ক্রিশ্চিয়ান আন্ডারষ্ট্যান্ডিং নামক প্রতিষ্টানের সহযোগিতায় তালিকাটি প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

বরাবরের মতো ২০২১ সাল শেষে তারা সে তালিকা প্রকাশ করেছে। আওয়ার ইসলাম পাঠকদের আজ প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তিত্বদের থেকে প্রথম দশ জনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিবো।

রজব তায়্যিব এরদোগান (জন্ম- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪) হলেন তুরস্কের ১২তম রাষ্ট্রপতি যিনি ২০১৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালে তিনি একে পার্টি (জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলাপমেন্ট পার্টি বা একেপি) প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার অল্প দিনের মধ্যেই দলটি জনসমর্থনের মাধ্যমে এক নম্বর অবস্থানে চলে আসে। দলটি ১৯৮৪ সালের পর প্রথমবার তুরস্কের ইতিহাসে একদলীয় দল হিসেবে এবং পরপর ৪ বার (২০০২, ২০০৭, ২০১১,২০১৪) সাংসদীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়। রাষ্ট্রপতি হবার পূর্ব পর্যন্ত তিনি ক্ষমতাসীন এই দলের সভাপতি ও প্রধান দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পুর্বেও ২০০৩ সাল হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তুরষ্কের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং তার পূর্বে ১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ইস্তাম্বুলের মেয়র হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের চুক্তি, বিগত দশবছর ধরে চলাকালীন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও তুর্কি লিরার (তুর্কি মুদ্রা) মুল্য পুনর্নিধারণ, সুদের হার কমানো,অতীতে উসমানীয় শাসনাধীন দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিশ্বমহলে নেতৃস্থানীয় ও সৌহার্দ্যপুর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠাপ্রাপ্তিকে মুল লক্ষ্য রেখে বৈদেশিক নীতি গ্রহণ (নব্য-উসমানবাদ), বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ, প্রভৃতি কারণে বিশ্বমহলে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত।

বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ (জন্ম- ডিসেম্বর ৩১, ১৯৩৫) হলেন সৌদি আরবের বাদশাহ, দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম এবং আল সৌদের প্রধান। তিনি ২০১১ সাল থেকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তারও আগে ১৯৬৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত রিয়াদ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত ছিলেন। সালমান জানুয়ারি ২৩, ২০১৫ তারিখে তার সৎভাই বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের স্থলাভিষিক্ত হন।

আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী হোসেইনী খামেনেয়ী (জন্ম ১৯ এপ্রিল ১৯৩৯) হলেন একজন ইরানি শিয়া মুসলিম ধর্মগুরু এবং ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের দ্বিতীয় ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা।[২০][২১] ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। খামেনেয়ী মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন রাষ্ট্রপ্রধান এবং মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পর গত শতাব্দীর দ্বিতীয় সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতাসীন ইরানি নেতা।[২২]

খামেনেয়ীর দাফতরিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির শাসনামলে তিন বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানোর পূর্বে তাঁকে ছয়বার গ্রেফতার করা হয়।[২৩] ইসলামি বিপ্লবের পর ১৯৮১ সালের জুনে তাঁকে গুপ্তহত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়, যার ফলে তাঁর ডানহাত অসাড় হয়ে পড়ে।[২৪][২৫] ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধকালীন খামেনেয়ী ইরানের অন্যতম নেতা ছিলেন এবং সেই সময় তিনি অধুনা শক্তিশালী ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে দৃঢ় বন্ধন গড়ে তোলেন। এই বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ এবং এর কমান্ডারদের নির্বাচন ও অপসারণ তিনি করে থাকেন। খামেনেয়ীর বিরোধীদের দমনের ক্ষেত্রে বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীকে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।[২৬][২৭] ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত খামেনেয়ী ইরানের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তৎকালীন ও প্রথম সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনীর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। মৃত্যুর অনতিবিলম্ব পূর্বে খোমেনী কর্তৃক মনোনীত তাঁর উত্তরসূরী হোসেইন আলী মোন্তাজেরীর সঙ্গে একটি মতবিরোধ দেখা দেয়। ফলে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকারী কে হবেন সে ব্যাপারে কোনো ঐক্যমত্য ছিল না। ১৯৮৯ সালের ৪ জুন বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৪৯ বছর বয়সী খামেনেয়ীকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে। আকবর হাশেমী রফসঞ্জানীর মতে মৃত্যুর পূর্বে খোমেনী তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে খামেনেয়ীকে মনোনীত করে গিয়েছিলেন। ১৯৭৯ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে খামেনেয়ী আস্তান কুদস রাজাওয়ীর সেবকদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।[২৮]

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনেয়ী ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।[২৯][৩০] তিনি ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান, সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ, ফরমান জারিকারী এবং অর্থনীতি, পরিবেশ, পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয় পরিকল্পনা প্রভৃতি খাতে সরকারি নীতিনির্ধারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগ্রহীতা।[৩১][৩২][৩৩][৩৪][৩৫][৩৬] করিম সাজ্জাদপুরীর মতে সরকারের নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি সামরিক বাহিনী ও গণমাধ্যমের ওপর খামেনেয়ীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।[২২] বিশেষজ্ঞ পরিষদ, রাষ্ট্রপতি ও মজলিসের (আইনসভা) সকল পদপ্রার্থীরা অবিভাবক পরিষদ দ্বারা পুননীরিক্ষিত হন, আর এই অবিভাবক পরিষদের সদস্যগণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা কর্তৃক মনোনীত হন।[৩৭] এরকম ঘটনাও ঘটেছে যেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর অবিভাবক পরিষদের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও খামেনেয়ীর নির্দেশে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।[৩৮] ফোর্বস সাময়িকী ২০১২ সালে তাঁকে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ২১ জন ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়।[৩৯] খামেনেয়ী পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে ফতোয়া জারি করে বলেন যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ও ব্যবহার ইসলামি বিধান অনুযায়ী নিষিদ্ধ।

কিং দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন (জন্ম- ৩০ জানুয়ারি ১৯৬২) জর্ডানের বর্তমান বাদশাহ। পিতা হুসাইন বিন তালাল মারা যাওয়ার পর ১৯৯৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ক্ষমতা লাভ করেন। তিনি হাশিমি রাজপরিবারের সদস্য। এই পরিবার ১৯২১ সাল থেকে জর্ডান শাসন করে আসছে। তারা মুহাম্মদ এর বংশধর বলা হয়।

আবদুল্লাহ ছিলেন বাদশাহ হুসাইন ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুনা আল-হুসাইনের সন্তান। জন্মের অল্পকাল পরে তাকে যুবরাজ ঘোষণা করা হয়। বাদশাহ হুসাইন ১৯৬৫ সালে এই উপাধি তার ভাই হাসানকে সমর্পণ করেছিলেন। তবে ১৯৯৯ সালে তা আবদুল্লাহকে অর্পণ করা হয়। আবদুল্লাহ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রানিয়া আল-আবদুল্লাহকে বিয়ে করেছেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জর্ডানের স্পেশাল ফোর্সের কমান্ড গ্রহণ করেন এবং ১৯৯৮ সালের মে মাসে মেজর জেনারেল হন।[১][৩] দুবাইয়ের আমির মুহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাখতুমের স্ত্রী হায়া বিনতে হুসাইন আবদুল্লাহর বোন

শায়খ মুহাম্মাদ তাকি উসমানি (জন্ম: ১৯৪৩) পাকিস্তানের একজন প্রখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ইসলামী ফিকহ্, হাদিস, অর্থনীতি ও তাসাউফ বিশেষজ্ঞ। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে ইসলামী অর্থনীতিতে সক্রিয় ব্যক্তিদের অন্যতম। তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শরীয়াহ আদালতের এবং ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের শরীয়াহ আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। তিনি বিখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ “মাআরিফুল কোরআন”এর রচয়িতা মুফতি শফী উসমানির সন্তান এবং বিখ্যাত দুই ইসলামী ব্যক্তিত্ব মাওলানা রফী উসমানি ও মাওলানা ওয়ালী রাজীর ভাই

কিং ষষ্ঠ মুহাম্মদ (জন্ম: ২১ আগস্ট ১৯৬৩ খৃঃ) হলেন মরক্কোর বর্তমান বাদশাহ। তার পিতা মরক্কোর বাদশা ২য় হোসাইনের মৃত্যুর পর জুলাই ২৩, ১৯৯৯ খৃঃ তিনি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান হলেন আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার। তিনি ১৯৬১ সালের ১১ ই মার্চ আরব আমিরাতের আল আইনে জন্মগ্রহণ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং আবুধাবির শাসক জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের তৃতীয় পুত্র তিনি। এছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ভাই।

আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সৈয়দ আলী আল-হোসাইনী আস-সিস্তানী (জন্ম ৪ আগস্ট ১৯৩০) হলেন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ইরাকি শিয়া মারজা। ইরানি বংশোদ্ভূত এই ধর্মগুরু মূলত ইরাকে বসবাস করেন। তাঁকে ইরাকি শিয়া মুসলমানদের প্রধান আধ্যাত্মিক নেতা এবং শিয়া ইসলামের অন্যতম প্রবীণ পণ্ডিত হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

২০০৯ সাল থেকে তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ জন মুসলিমের তালিকার শীর্ষ দশে স্থান দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সংস্করণে উল্লেখিত আটজন মারজার মধ্যে তিনি একজন। ২০০৫ সালে সিস্তানীকে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বুদ্ধিজীবীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। শান্তিপ্রতিষ্ঠায় তাঁর প্রয়াসের জন্য ২০০৫ ও ২০১৪ সালে তিনি নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।

শায়খ হাবিব ওমর বিন হাফিজ হাবিব (জন্ম ২৭ মে ১৯৬৩) হলেন একজন ইয়েমেনি সুন্নি সুফি, ইসলামি পণ্ডিত, শিক্ষক, দার আল-মুস্তাফা শিক্ষালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিন। তিনি আবুধাবিতে তাবাহ ফাউন্ডেশনের সুপ্রিম উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।

শায়খ সালমান বিন ফাহদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আউদা অথবা সালমান আল-আউদা (জন্ম: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬) হলেন একজন সৌদি আলেম এবং মুসলিম পণ্ডিত। আল-আউদা মুসলিম আলেমদের আন্তর্জাতিক ইউনিয়নের অছি সমিতির একজন সদস্য। তিনি ইসলাম টুডে ওয়েবসাইটের আরবি সংস্করণের পরিচালনার করার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান এবং পত্রিকায় কলামলেখক হিসেবে কাজ করেন।

১৯৯৩ সালে আল-আউদা আইনি অধিকার রক্ষা কমিটির (সিডিএলআর) বিরোধী দলের অন্যতম নেতা ছিলেন, যিনি সৌদি সরকারকে সংপ্রশ্ন করেছিলেন। যার জন্য ১৯৯৪ হতে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাকে কারাবন্দি রাখা হয়েছিল।

২০০৭ সালে তিনি সরকারের একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে সৌদি কর্তৃপক্ষ ফের আটক করে। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে তিনি বিনা অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই নির্জন কারাগারে রয়েছেন। একই সাথে সরকার তার পরিবারের সদস্যদের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন কাতারের অবরোধকে সমর্থন করার উদ্দেশ্যে একটি টুইট করার মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষের আদেশকে অস্বীকার করার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর তারিখে আইনি শুনানিতে, সরকার পক্ষের উকিলরা আল-আউদার মৃত্যুদণ্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন।

-কেএল