192209

যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ শহরে কারফিউ, নামানো হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড আর্মি

আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ এক ব্যক্তির মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশজুড়ে ষষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছেন হোয়াইট হাউজ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। নামানো হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড আর্মি।

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের রাস্তায় হাজারো বিক্ষোভকারী। এমনি বিভিন্ন সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ চলছে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে।

শনিবার গভীর রাতে ও রোববার নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে পুলিশের সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হন অন্তত পঞ্চাশ পুলিশ। আটক করা হয়েছে চার শতাধিক ব্যক্তিকে। করোনা মহামারির কারণে জারি থাকা লকডাউন শিথিল করা হলে এ বিক্ষোভ আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রবাসীদের।

প্রবাসীদের একজন বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। লকডাউন আছে বলে মানুষ এখনও বেরোতে পারছে না। লকডাউন খুললে অবস্থা চরমে চলে যাবে।

নিউইয়র্কে ও পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় পুলিশের গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে দাঙ্গাকারীরা। সেইসাথে চলেছে লুটপাট। ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস ও অটলান্টায়ও।

বিকেলের পর থেকে হোয়াইট হাউজের চারপাশে হাজারো বিক্ষোভকারী জড়ো হওয়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে প্রেসিডেন্ট ভবন। তবে বোস্টন, মায়ামি, মিনিয়াপোলিসে সড়ক অবরোধ করলেও প্রতিবাদ ছিল শান্তিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ২০টিরও বেশি অঙ্গরাজ্যের অন্তত ৪০টি শহরে সন্ধ্যার পর থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের রুখতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ন্যাশনাল গার্ড আর্মি নামানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ও মেয়ররা।

-এটি

ad