150007

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের যে ৫টি সেটিং বদলে নেওয়া উচিত

আওয়ার ইসলাম: এ সময়ে স্মার্টফোনের বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমটি হলো অ্যান্ড্রয়েড। এতে অসংখ্য ফিচার রয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন, এই অপারেটিং সিস্টেমে কিভাবে একটা আদর্শ মানের সেটিং দেওয়া যায়। এখানে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের আদর্শ সেটিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ রিক ব্রোইডা। এ কাজে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এর অ্যান্ড্রয়েড ৫.১.১ ব্যবহার করেছেন।

১. ব্রাইটনেস কমিয়ে ফেলুন : পর্দার উজ্জ্বলতা খুব দ্রুত ব্যাটারি খেয়ে ফেলে। তাই সেটিংস-এ গিয়ে ব্রাইটনেস কমিয়ে দেওয়া উচিত। অটো অপশনটি ব্যবহার করলে ভালো। কিন্তু আরো বেশ উজ্জ্বল করতে চাইলে অন্তত ৫০ শতাংশ ব্রাইটনেস ব্যবহার করুন। এতে ব্যাটারির শক্তি অনেক বেড়ে গেছে বলে মনে হবে। কাজটি করতে হলে পর্দার ওপর থেকে নোটিফিকেশন ড্রয়ারটি খুলে নিন। সেখান থেকে সেটিংসে যান। ডিসপ্লে অ্যান্ড ওয়ালপেপার ফিচারে গিয়ে ঔজ্জ্বল্য মাঝামাঝি করে দিন।

২. হোয়াইটনেস কমিয়ে দিন : আপনার ফোনে কি অ্যামোলেড পর্দা আছে? এটি প্রচুর ব্যাটারি খরচ করে। এ ক্ষেত্রে কালো রংয়ের ওয়ালপেপার ব্যবহার করুন। কারণ কালো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ছড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। এমনিতেও ‘নো ওয়ালপেপার’ অপশনটি ব্যবহার করলেও পর্দাটি কালো হয়ে যাবে। লক স্ক্রিন এবং হোম স্ক্রিন উভয় ক্ষেত্রে কালো ওয়ালপেপার ব্যবহার করুন।

৩. নিউ-অ্যাপ শর্টকাট ডিসঅ্যাবল করুন : যে অ্যাপই ডাউনলোড করেন না কেন, তার শর্টকাট আইকনটি হোম স্ক্রিনে চলে আসবে। হোম স্ক্রিন থেকে সরানো গেলেও স্থায়ী সমাধান করতে পারেন মেনু থেকে। সেটিংসে যান। সেখানে অ্যাপ আইকন টু হোম স্ক্রিন লেখ চেকবক্সটি থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন।

৪. ‘ডু নট ডিসটার্ব’ অন করে দিন : রাতের অন্ধকারে ফোন সাইলেন্ট করা থাকলেও কল আসলে পর্দার আলো জ্বেলে ওঠে। আলো চোখে লাগে এবং ঘুম নষ্ট হয়। এ ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড বিরক্ত ঘোচাতে ‘ডু নট ডিসটার্ব’ অপশনের ব্যবহার রেখেছে। অনেক স্মার্টফোনে ‘কোয়াইট আওয়ার্স’ লেখা রয়েছে। সেটিংস থেকে সাউন্ডস বা সাউন্ডস অ্যান্ড নোটিফিকেশনে যান। সেখানেই এই অপশনটি থাকার কথা।

৫. ‘ফাউন্ড মাই মোবাইল’ সেট-আপ করুন : স্মার্টফোনটি খোয়া যাওয়ার চেয়ে খারাপ আর কি হতে পারে? তবে থার্ড-পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে এর খোঁজ বের করার উপায় রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে কাজটি করতে হবে। এ কাজটি করতে সাধারণ সেটিংস নয়, গুগল সেটিংসে যেতে হবে। এর জন্যে গুগল সাপোর্ট পেজ পড়ে দেখতে পারেন। বুঝতে পারবেন ব্যবস্থাটি কিভাবে কাজ করে।

একে প্রথমে চালু করতে হবে। তারপর যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেই অ্যান্ড্রয়েড ডট কম/ডিভাইস ম্যানেজার-এ প্রবেশ করুন। সেখানে গিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। অনলাইনে থাকতে হবে। মানচিত্রে ফোনের লোকেশনটি দেখতে পারবেন। এখান থেকেই আপনি স্মার্টফোনে কল দেওয়া, লক করা এমনকি অস্থায়ীভাবে গোটা সিস্টেম বন্ধ করে দিতে পারেন।

অধিকাংশ ফোনই থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে। সেটিংস থেকে লক স্ক্রিন অ্যান্ড সিকিউরিটিতে যেতে হবে। সেখানে ফাইন্ড মাই মোবাইল নামের একটি অপশনের দেখা মিলবে। Cerberus এর মতো কিছু থার্ড-পার্টি অ্যাপ অনেক শক্তিশালী। এগুলো গোপনে যার হাতে রয়েছে তার ছবি তুলে বা ভিডিও করে আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েও দিতে পারে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

আরএম/

ad

পাঠকের মতামত

৩ responses to “ইসলামি ইতিহাসে আল্লাহর আনুগত্যের সাক্ষী মসজিদুল কিবলাতাইন”

  1. hello!,I really like your writing very a lot! share we keep in touch extra approximately your article on AOL?
    I require an expert in this space to solve my problem.

    May be that is you! Looking ahead to peer you.

  2. Hello it’s me, I am also visiting this website on a regular basis, this site is truly fastidious and
    the users are actually sharing pleasant thoughts.

  3. Hi, i think that i saw you visited my website so i came to “return the
    favor”.I’m trying to find things to enhance my website!I suppose its ok to use some of your ideas!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *