149873

গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী খাবেন না

আওয়ার ইসলাম: বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য যেমন প্রয়োজন তেমনি সুস্থ, সবল নিরোগ দেহের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যের বিকল্প নেই। এই ভ্যাপসা গরমে একটু সচেতন হয়ে খাবার খেলে অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে পারি। এই গরমে কী খাওয়া উচিত, কী বর্জন করা উচিত, তা নিয়ে কিছু টিপস দেয়া হলো।

১. যেসব খাবার খেলে গরমে শরীর ভালো থাকে, ঠাণ্ডা থাকে, তা হল দই। প্রতিদিন ঘরে টক দই রাখতে পারেন এবং দৈনন্দিন ডায়েটে তার উপস্থিতি বাঞ্ছনীয়।

২. দইকে লাচ্ছি করে, রায়তা বানিয়ে অথবা নানারকম মুখরোচক উপায়ে খেতে পারেন।

৩. ডাবের পানি প্রচুর খেতে পারেন। ডাবের পানি যা মিনারেল, যা এই সময় শরীরকে সতেজ রাখতে খুব সাহায্য করে।

৪. ফলের মধ্যে তরমুজ, শশা, পেঁপে, বাঙ্গি, জামরুল, আনারস, এসব খাবেন। কিন্তু কখনো রাস্তা থেকে কাটা অবস্থায় খাবেন না। গোটা ফল বাড়ি এনে ধুয়ে, তারপর কেটে খাবেন। পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি খাবেন।

৫. লাউ, ঝিঙে, উচ্ছে, করলা, নিমপাতা ইত্যাদি নানান সবজি শরীরকে সতেজ ও ঠান্ডা রাখে। কাঁচা পেয়াজ খেতে পারেন।

৬. বিশুদ্ধ পানি ছাড়া যেসব পানীয় খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে, সেগুলো হলো তেঁতুল পানি, লেবুর পানি, ঘোল, ডাবের পানি, বাটার মিল্ক, আখের রস, পুদিনার সরবত, পানি-জিরা, সিকঞ্জি বেলের শরবত এবং ছাতুর সরবত।

৭. তবে প্রচণ্ড গরম থেকে এসেই বরফ ঠাণ্ডা কোনো পানীয় বা খাবার খাওয়া উচিত নয়।

আরএম/

ad

পাঠকের মতামত

৩ responses to “ইসলামি ইতিহাসে আল্লাহর আনুগত্যের সাক্ষী মসজিদুল কিবলাতাইন”

  1. hello!,I really like your writing very a lot! share we keep in touch extra approximately your article on AOL?
    I require an expert in this space to solve my problem.

    May be that is you! Looking ahead to peer you.

  2. Hello it’s me, I am also visiting this website on a regular basis, this site is truly fastidious and
    the users are actually sharing pleasant thoughts.

  3. Hi, i think that i saw you visited my website so i came to “return the
    favor”.I’m trying to find things to enhance my website!I suppose its ok to use some of your ideas!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *