149824

হাসি-তামাশায় বিয়ে: কী বলে ইসলাম?

রোকন হারুন: ইসলামের প্রায় সব বিষয়ই নিয়ত নির্ভর।  নিয়ত ছাড়া  কোন কাজ সঠিকভাবে হয় না।  হাসি তামাশা করে কোনকিছু করলে তাও বিবেচ্য হয় না। কিন্তু তিনটি বিষয় এমন আছে যা নিয়ত ছাড়া কিংবা হাসি-তামাশা করে বললেও তা শীরধার্য হয়ে যায়। শরীয়ত তা বিবেচ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

সে তিনিটি বিষয় হলো, বিয়ে, তালাক ও রাজা‘আত। কেউ যদি হাসি তামাশা করে বিয়ের ইজাব ও কবূল করে তাহলে বিয়ে সংগঠিত হয়ে যাবে।

অনূরূপ কেউ যদি হাসি তামাশা করে নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয় তাহলে তার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। রাজা‘আত (তথা তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে ফেরত নেয়া) অনিচ্ছ করে যদি বলে আমার স্ত্রীকে ফেরত নিলাম তাহলেও স্ত্রী রাজা‘আত হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে একটি হাদীস হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, তিনটি বিষয় এমন রয়েছে, যা বাস্তবতার নিয়তে করলেও সংগঠিত হয় এবং হাসি তামাশাচ্ছলে করলেও সংগঠিত হয়, সে তিনটি হলো বিবাহ, তালাক ও রাজআত। সূত্র: মেশকাত ২য় খণ্ড, কিতাবুন নিকাহ।

এ হাদিসের ব্যখ্যায় আল্লামা ইবনুল হুমাম র. লিখেছেন, ঠাট্টামূলক সম্পাদনকারীর বিয়েও সংগঠিত হয়ে যাবে এবং বিয়ের সকল বিষয় অবশ্য পালনীয় বলে বিবেচিত হবে।

কেননা রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, তিনটি বিষয়, প্রকৃতপক্ষে হোক বা ঠাট্টামূলক হোক উভয় অবস্থায় সংগঠিত হবে, (সে তিনটি হলো:) বিবাহ, তালাক ও রাজা‘আত।

এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী র. হযরত আবু হুরায়রা রা. সূত্রে রাসুল সা. থেকে বর্ণনা করেছেন। সূত্র: ফাতহুল কাদীর, ৩য় খণ্ড, কিতাবুন নিকাহ।

হুআ

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *