২০১৯-০৩-১৩

মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

বিয়ে-শাদীতে নিষিদ্ধ ৫টি কাজ!

OURISLAM24.COM
news-image

রোকন হারুন
আওয়ার ইসলাম

কুরআন-হাদিসের ওপর সমাজিক প্রথাকে প্রাধান্য দিই আমরা। আদৌ ভাবি না, বা ভাবার প্রয়োজনবোধ করি না যে, সমাজিক প্রথাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে কুরআন-হাদিসে বর্ণিত নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে পড়ছি।

বিয়ে-শাদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আমলের ক্ষেত্রে সামাজিক প্রথা পালন করার ফলে ফেতনা থেকে ঝগড়া পযর্ন্ত গড়ায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়িতে একসময় প্রাণ নাসের ঘটনাও আমরা প্রায় পত্রপত্রিকায় দেখি। আসলে অন্যায়-অপরাধের সূত্রপাত শুরু হয় কুরআন-হাদিসের বিধিনিষেধের প্রতি দৃষ্ঠতা প্রদর্শনের কারণে।

বিয়ে-শাদীতে আমরা এমন অনেক কাজ করি, যা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে জামিয়া রাহমানিয়া মুহাম্মদপুর, (আলী এন্ড নূর) ঢাকার শাইখুল হাদিস ও প্রধান মুফতি, মুফতি মনসূরুল হক আলোচনা করেছেন বিয়ে-শাদীতে বর্জনীয় নিষিদ্ধ কর্মবিষয়ে। আসুন দেখে নেই বিষয়গুলো-

১. কনে পক্ষ ছেলেপক্ষের কাছে সোনাদানার শর্তারোপ করতে পারবে না। শর্ত নিষেধ এবং ছেলের পক্ষ থেকেও যৌতুক চাওয়া হারাম।

২. কনের ‘ইযন’-এর জন্য সাক্ষীর কোন প্রয়ােজন নেই। সুতরাং ছেলের পক্ষের লােক ‘ইযন’ শুনতে যাওয়া অনর্থক এবং বেপর্দা। সুতরাং তা নিষেধ। মেয়ের কোন মাহরাম বিবাহের উকিল হওয়ার অনুমতি নিবে।

৩. শর্ত আরােপ করে বরযাত্রীর নামে বরের সাথে অধিক সংখ্যক লােকজন নিয়ে যাওয়া এবং কনের বাড়ীতে মেহমান হয়ে কনের পিতার ওপর বােঝা সৃষ্টি করা আজকের সমাজের একটি জঘন্য কুপ্রথা, যা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা আবশ্যক।

৪. ওলীমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উঁচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরী নয়। বরং সামর্থ্যানুযায়ী খরচ করাই সুন্নাত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওলীমায় শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লােকদের দাওয়াত করা হয়, দীনদার ও গরীব-মিসকিনদের দাওয়াত করা হয় না, সে ওলীমাকে হাদীসে নিকৃষ্টতম ওলীমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের নিকৃষ্ট ওলীমার আয়ােজন থেকে বিরত থাকা উচিত।

৫. ওলীমার মজলিসে হাদিয়া লেন-দেন ঠিক নয়। কেউ হাদিয়া দিতে চাইলে নিজের সুযােগ মত পাঠিয়ে দিবে। প্রচার করবে না। এটাই হাদিয়ার সুন্নাত।

আরএম/